শরীয়তপুরে ছয়টি প্রতিমা ভাংচুর|112115|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৭:২৫
শরীয়তপুরে ছয়টি প্রতিমা ভাংচুর
শরিয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরে ছয়টি প্রতিমা ভাংচুর

শরীয়তপুর জেলা শহরের ঋষিপাড়া এলাকার কালি মন্দিরের ছয়টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে।

শরীয়তপুর জেলা শহরের ঋষিপাড়া এলাকার কালি মন্দিরের ছয়টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাতে এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানায়, শরীয়তপুর শহরের ঋষিপাড়া এলাকাটি ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের পাশে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইকবাল হোসেন অপুর বাড়ির সামনে মন্দিরটির অবস্থান।

বৃহস্পতিবার ভোরে পূজারিরা মন্দিরে গিয়ে প্রতিমা ভাংচুর দেখে থানায় খবর দেয়।

খবর পেয়ে ঋষিপাড়া কালি মন্দিরে ছুটে আসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইকবাল হোসেন অপু, পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, সহকারী পুলিশ সুপার কামরুল হাসান, সদরের পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মুকুল চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক মানিক ব্যার্নাজি, হিন্দু মহাজোটের শরীয়তপুর জেলার যুগ্ম আহবায়ক হেমন্ত দাস।

ঋষিপাড়া কালি মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক রণজিৎ ঋষিদাস বলেন, ছয়টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। প্রতিমাগুলো ভাংচুর করে মন্দিরের ভেতর ও বারান্দার মেঝেতে ফেলে রাখা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা প্রতিমা ভাংচুরের আগে মন্দিরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমরা খুব উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছি।

ঋষিপাড়া কালি মন্দিরের সভাপতি সুশিল ঋষিদাস বলেন, শহরের ব্যস্ততম এলাকায় সড়কের পাশে আমাদের মন্দিরটির অবস্থান। পালং থানা থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে মন্দিরটি। এরকম একটি জায়গার মন্দিরটিও নিরাপদ নয়। এ ঘটনায় আমাদের আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের শরীয়তপুর জেলা কমিটির সভাপতি মুকুল চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনাটি আমাদের আতঙ্কিত করেছে। পুলিশের প্রতি আহবান দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হোক। 

পালং মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামন বলেন, প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় থানায় মামলা হবে। ওই এলাকার বিভিন্ন স্থাপনায় থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে অপরাধীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।