আমজাদ হোসেনের মরদেহ আসছে শুক্রবার|112137|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২০:০৪
আমজাদ হোসেনের মরদেহ আসছে শুক্রবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

আমজাদ হোসেনের মরদেহ আসছে শুক্রবার

বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের মরদেহ ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দেশে পৌঁছবে

বরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা আমজাদ হোসেনের মরদেহ শুক্রবার দেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার মরদেহ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন পরিচালক এস এ হক অলিক।

তিনি জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে আমজাদ হোসেনের লাশ নিয়ে যাওয়া হবে তার আদাবরের বাসায়। সেখানে কিছুক্ষণ রাখার পর মরদেহ রাখা হবে বারডেমের হিমাগারে।

তিনি জানান, শনিবার ১১টায় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার লাশ নিয়ে যাওয়া হবে শহীদ মিনারে। এরপর লাশ নিয়ে যাওয়া হবে তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল এফডিসিতে। সেখানে বাদ যোহর জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলের দিকে চ্যানেল আইতে শেষ জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

আমজাদ হোসেনকে কোথায় দাফন করা হবে তা এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অলিক। তিনি বলেন, শুক্রবার আমজাদ হোসেনের লাশ নিয়ে তার দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল ও সোহেল আরমান দেশে ফিরবেন। তারপর সিদ্ধান্ত হবে কোথায় তাকে দাফন করা হবে।

১৮ নভেম্বর হঠাৎ ব্রেনস্ট্রোক করে রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এরপর প্রধানমন্ত্রীর সহায়তায় তাকে থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। 

উল্লেখ্য একাধারে অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন আমজাদ হোসেন। জহির রায়হানের শিষ্য হিসেবে চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন তিনি।১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় দিয়ে বড়পর্দায় পা রাখেন। পরবর্তীতে চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুন নিয়ে খেলা’ (১৯৬৭)। পরে তিনি নয়নমনি (১৯৭৬), গোলাপী এখন ট্রেনে (১৯৭৮), ভাত দে’র (১৯৮৪) মতো কালজয়ী সিনেমা নির্মাণ করে প্রশংসিত হন।