রাজশাহীর সব আসন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি|112168|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:১২
রাজশাহীর সব আসন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি
রাজশাহী প্রতিনিধি

রাজশাহীর সব আসন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পিতবার কযেকটি জেলায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন। ছবি: ফোকাস বাংলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর সবকটি আসনে জয়ী হয়ে এ বিজয় প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থি ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহীর ছয় আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় তারা প্রধানমন্ত্রীকে এই প্রতিশ্রুতি দেন।

ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে সংযুক্ত হন। এখানে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ধারাবাহিকভাবে ২০০৮ সাল থেকে আমরা জনগণের সেবা করে যাচ্ছি। গত নির্বাচনেও আমরা দেখেছি যে কীভাবে বিএনপি-জামায়াত জোট নির্বাচন ঠেকানোর জন্য অগ্নিসংযোগ শুরু করে।

তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সাধারণ মানুষকে রাস্তায় ফেলে পিটিয়ে মারে। মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করার মতো জঘন্য ঘটনা তারা ঘটিয়েছিল নির্বাচন ঠেকানোর জন্য। ৫৮২টি স্কুল তারা পুড়িয়ে দেয়, ৭০ সরকারি অফিস পোড়ায়, ছয়টা ভূমি অফিস পোড়ায়। এভাবে তারা সরকারি সম্পদ পুড়িয়ে ধ্বংস করে। মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে তারা অট্টহাসি হাসে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই রাজশাহীতে তারা বাংলা ভাই সৃষ্টি করে, মদদ দিয়ে প্রকাশ্যে মিছিল করার সুযোগ করে দেয়। তারা জঙ্গিদের ব্যবহার করে। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে তারা হত্যা করেছে। একটার পর বোমা হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, তাদের এসব অপকর্মের জবাব দিয়ে জনগণ ২০১৪ সালের নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। তাই জনগণের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা জানাই, আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

 শেখ হাসিনা বলেন, গত নির্বাচনে আমরা নির্বাচনী ইশতেহারে যে ঘোষণা দিয়েছিলাম একে একে সব বাস্তবায়ন করেছি। আওয়ামী লীগ নির্বাচনী ইশতেহার কখনও ভুলে যায় না। ক্ষেত্রেবিশেষে আমরা তার চেয়েও অনেক বেশি কাজ করেছি। প্রায় ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আমরা ৯৩ ভাগ মানুষের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে সরকার আসতে পারলে প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছাবে। প্রত্যেক ঘর আলোকিত হবে। আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি ছেলেমেয়েদের, আমরা বৃত্তি দিচ্ছি পড়াশোনার জন্য।

নির্বাচনে নৌকায় ভোট চেয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করব। ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। অর্থাৎ ২০২০ এর মার্চ মাস থেকে ২০২১ এর মার্চ মাস, আমরা এই বর্ষটাকে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি।