একাট্টা যশোর আওয়ামী লীগ|112192|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
একাট্টা যশোর আওয়ামী লীগ
যশোর প্রতিনিধি

একাট্টা যশোর আওয়ামী লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, মান-অভিমান ভুলে যশোর আওয়ামী লীগ একাট্টা হয়েছে। সব বিভেদ ভুলে একমঞ্চে নৌকার পক্ষে ভোট চাচ্ছেন নেতারা।

যশোর-৩ (সদর) আসনে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু মনোনয়ন পান বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। যশোর-২ আসনে মনোনয়ন পাননি বর্তমান সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনির। দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ডা. নাসিরউদ্দিনকে। এতে মনিরুল ইসলামের কর্মীরা প্রকাশ্যে বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। যশোর-৬ আসনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেককে কখনো মেনে নেননি দলের উপজেলা সভাপতি রুহুল আমিন।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। এতে মতপার্থক্যে বিভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু আদর্শের প্রশ্নে সবাই এক। নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। নৌকার বিজয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বলেন, নৌকার বিজয়ই এখন মুখ্য। আমরা শেখ হাসিনাকে আবারও দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।

যশোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কাজী নাবিল আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, নেতৃত্ব থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধি হওয়ার মতো একাধিক যোগ্য নেতা দলে রয়েছেন। শেখ হাসিনা যখন কাউকে নেতৃত্ব অথবা জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেন তখন আর কোনো বিভেদ থাকে না।

যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক থাকতেই পারে, তার মানে এই নয় যে, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দেবেন নৌকা প্রতীকের বিজয়ের লক্ষ্যে আমরা তাকে নিয়েই নির্বাচনযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছি।

যশোর-৬ আসনে কেশবপুর উপজেলায় মঙ্গলবার অতীতের সব দ্বন্দ্ব ভুলে একমঞ্চে নৌকার পক্ষে ভোট চাইতে দেখা গেছে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে।

যশোরের ছয়টি আসনে মোট ভোটার ২০ লাখ ৯২ হাজার ৩৫৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১০ লাখ ৪৯ হাজার ৮৪ এবং নারী ১০ লাখ ৪৩ হাজার ২৭৩।