লড়াই জমবে সাংসদ-সরকারে|112194|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
টাঙ্গাইল-১
লড়াই জমবে সাংসদ-সরকারে
এম এ রাজ্জাক, টাঙ্গাইল থেকে

লড়াই জমবে সাংসদ-সরকারে

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে মহাজোট সরকারের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও সাংসদ আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে বিএনপির শহীদুল ইসলাম সরকারের ভোটের লড়াই জমে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। তাদের একজন তিনবারের সাংসদ, বর্ষীয়ান। অন্যজন তিনবারের মেয়র, বয়সে নবীন।

আবদুর রাজ্জাক আসনটি থেকে তিনবার সাংসদ নির্বাচিত হন। এর মধ্যে অষ্টম ও নবম সংসদ নির্বাচনে তিনি বড় ব্যবধানে জয়ী হন। আর দশম সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাংসদ হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার শহীদ হিসেবে পরিচিত শহীদুল আগে সাংসদ পদে লড়েননি। তবে পরপর তিনবার মধুপুর পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচিত হন তিনি। তার মাধ্যমে এ আসনটি নিজেদের করে নেওয়ার আশা দেখছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরোয়ার আলম খান আবু জানান, মধুপুর ও ধনবাড়ী এলাকা আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে এ আসনে জয়ী হন আওয়ামী লীগের আবুল হাসান চৌধুরী। এরপর আসনটিতে পরপর তিনবার সাংসদ হন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক। মন্ত্রী হিসেবেও তার সুনাম রয়েছে। এসব কারণে এগিয়ে আছেন তিনি।

দলের নেতাকর্মীরা জানান, বাড়ি ধনবাড়ীতে হলেও মধুপুরেও সমান জনপ্রিয় ‘ভোলা কমান্ডার’ হিসেবে পরিচিত এ নেতা। তাকে নিয়ে মধুপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মীর ফরহাদুল আলম মনি বলেন, আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা তথা নৌকা হলো উন্নয়ন-অগ্রগতি, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও শান্তির প্রতীক। আর ড. আবদুর রাজ্জাক একজন উন্নয়নকামী সৎ ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ। বিএনপি এই আসনে আগের দুই নির্বাচনের প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও সরকার শহীদকে দলের মনোনয়নের চিঠি দিয়েছিল। অবশেষে দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হলে বিকল্প প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।

উপজেলা যুবদল নেতা আবদুল মান্নান জানান, মনোনয়ন পাওয়ার জন্যই দীর্ঘদিন ধরে সরকার শহীদ কাজ করছিলেন। বিএনপির ‘পরীক্ষিত নেতা’ হিসেবে তৃণমূলেও রয়েছে তার শক্ত অবস্থান। জেল-জুলুম তাকে জাতীয়তাবাদী আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবার দলের মনোনয়ন পাওয়ায় আসনটি ফিরে পাওয়ার আশা দেখা যাচ্ছে। বিএনপি নেতা আবদুল লতিফ পান্না বলেন, মধুপুরের স্থানীয় প্রার্থী সরকার শহীদকে দল-মত নির্বিশেষে ভোট দেবে। তিনি আরো বলেন, এ আসনটি সরকার শহীদের হাত ধরে পুনরুদ্ধার হবে।