সোলসকায়েরের মিশন শুরু|112360|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
সোলসকায়েরের মিশন শুরু
ক্রীড়া ডেস্ক

সোলসকায়েরের মিশন শুরু

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ভাগ্যাকাশে যখনই কালো মেঘ, তখনই সূর্যের হাসি নিয়ে উপস্থিত ওলে গানার সোলসকায়ের। ক্যারিয়ারজুড়ে অনেকবার বেঞ্চ থেকে উঠে এসে দলকে এনে দিয়েছেন জয়ের হাসি। সোলসকায়েরের ছদ্মনামই তাই হয়ে গিয়েছিল ‘সুপার-সাব’। নিজেদের ঘোরতর অন্ধকারে ফের এই তারকার শরণাপন্ন ম্যানইউ। স্পেশাল ওয়ান হোসে মরিনহোকে ছাঁটাই করে সোলসকায়েরকে দেওয়া হয়েছে খ-কালীন কোচের দায়িত্ব। লিগ টেবিলে ছয়ে থাকা দলটিকে খাদের কিনারা থেকে কতটা তুলতে পারবেন তা সময়ই বলে দেবে। তবে দায়িত্ব নিয়েই দলের পরিবেশটা বদলে দিয়েছেন তিনি। গুমটভাবটা দূর হয়ে সোলসকায়েরের প্রথম দিনেই হাসি ফিরেছে রেড ডেভিল শিবিরে।

হোসে মরিনহোর বিদায়ের এক দিন পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চলে এসেছেন সোলসকায়ের। গা-ছাড়া ভাবে শুরুর কোনো সুযোগ ছিল না তার। রেসে নেমে পড়তে হয়েছে প্রথম দিন থেকেই। তবে শুরুর দিনেই ম্যানইউর অনুশীলনে ভিন্ন চেহারা এসেছে। ফুটবলাররা হাসি-ঠাট্টা করছেন, নিজেদের মধ্যে কৌতুক বলছেন, একে অন্যকে জড়িয়ে ধরছেন। যা এই মৌসুমে এতদিন দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার আগে ম্যানইউর ক্যারিংটন অনুশীলন গ্রাউন্ডে পা রাখেন সোলসকায়ের। ২০০৭ সালে ক্লাবটি ছাড়ার পর ফের প্রিয় ক্লাবে ফিরলেন তিনি।

সোলসকায়েরকে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে আনার কারণ আছে। অতীত সুখস্মৃতি ফেরাতে হলে অতীতেই ফিরতে হবে রেড ডেভিলদের। সেই অতীত মানে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। বয়সের কারণে এখন আর কোচিংয়ে ফিরবেন না তিনি। তবে তার আদর্শকে ফেরানো সম্ভব। এ কারণেই সোলসকায়ের। এতদিন নরওয়ের ক্লাব মলডেকে ফার্গুসনের আদর্শ মেনেই কোচিং করিয়েছেন তিনি। ফার্গুসনের অধীনে যেমনটি ছিলেন ঠিক তেমনভাবেই মলডের ফুটবলারদের পরিচালনা করেছেন বর্তমান ম্যানইউ কোচ। এমনকি তার ফুটবলারদের খাদ্যাভ্যাস এবং পোশাকেও আদর্শ মেনেছেন ফার্গুসনকে।

ম্যানইউকে সুসময়ে ফেরানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে কার্ডিফ সিটির বিপক্ষে আজ শুরু করছেন সোলসকায়ের। তার আগে ম্যানইউর ১০ কোচের মধ্যে মাত্র তিনজন দায়িত্বের প্রথম লড়াইয়ে জিতেছেন। তারা ডেভিড ময়েস, রায়ান গিগস ও হোসে মরিনহো। তবে শুরুতে ফুটবলারদের খেলাটি উপভোগ করতে শেখাবেন সোলসকায়ের। ম্যানইউ টিভিতে প্রথম সাক্ষাৎকারে জানান, ‘আমি নিজের মতো এগোতে চাই। এখন আমরা ফলনির্ভর ফুটবলের যুগে আছি। সবাই জিততে চায়, আমিও তা চাই। কিন্তু শুরুতে ফুটবলটা উপভোগ করতে হবে। সমর্থকদের মনে জায়গা পেতে হবে। ছেলেরা খেলাটা উপভোগ করতে থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে।’