পুলিশ পাহারায় ধানের শীষের মিছিল|112533|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
পুলিশ পাহারায় ধানের শীষের মিছিল
ফিরোজ মিয়াজী

পুলিশ পাহারায় ধানের শীষের মিছিল

ঢাকা-৯ আসনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরী প্রচার ও গণসংযোগে রয়েছেন। তবে ধানের শীষের প্রার্থী আফরোজা আব্বাসের প্রচার চোখে পড়ার মতো। বেশ কিছু স্থানে নৌকার পোস্টার ঝুলছে, কোথাও চোখে পড়েনি ধানের শীষের পোস্টার।

আফরোজা আব্বাসের প্রচারে পুলিশের বাধা ও হামলার খবরও পত্রিকায় এসেছে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসও এ বিষয়ে গত শুক্রবার অভিযোগ করেছেন। তবে হঠাৎ করেই বদলে যায় সেখানকার চিত্র।

এতদিন পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ আনলেও গতকাল শনিবার ধানের শীষের মিছিল ও গণসংযোগে সামনে ও পেছন থেকে প্রোটেকশন দিয়েছে পুলিশ।

ধানের শীষের মিছিলে অংশ নেওয়া এক বিএনপি কর্মী দেশ রুপান্তরকে বলেন, ‘পুলিশকে অশেষ ধন্যবাদ। পুলিশ অনেক হেল্প করেছে আজ। এতদিন তো বের হতেই পারিনি।’

গতকালও নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরী উত্তর বাসাবো এলাকায় জনসংযোগ করেন। এ সময় সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আফরোজা আব্বাস অভিযোগ করেছেন, তাকে পোস্টার লাগাতে দেওয়া হচ্ছে না, যদি কেউ বাধা দিয়ে থাকে, তিনি সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারেন। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের মিছিলে একাধিক মামলার আসামিদের অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আসামিদের এভাবে মিছিল করা তো ঠিক না। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

গতকাল সকালে আফরোজা আব্বাসের শাহজাহানপুরের বাসার সামনে গিয়ে নেতাকর্মীদের উৎসবমুখর উপস্থিতি দেখা গেছে। পরবর্তী সময়ে পুলিশের সহনীয় আচরণের পর ধারণা করা যায় এই আসনের চিত্র অনেকটাই পরিবর্তন হবে। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে আশা করলেও পুলিশ সহনীয় হচ্ছে মানতে নারাজ ঢাকা-৮ ও ৯ আসনের ধানের শীষের সমন্বয়ক নাহিদ নজরুল। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেন, পুলিশ নমনীয় হচ্ছে বুঝব কীভাবে। তারা মিছিলে প্রোটেকশন দিয়েছে আবার মিছিল শেষে আমাদের প্রার্থীর বাসার সামনে থেকে ৪ জনকে গ্রেপ্তারও করেছে। নমনীয় হলো কী করে।

বিভিন্ন দলের মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আসনটিতে। তবে এখানে সবসময়ই ধানের শীষ ও নৌকার মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। সাবের হোসেন চৌধুরী পর পর দুই মেয়াদে সংসদ সদস্য আছেন। পূর্ব বাসাবোর বাসিন্দা হাফসা শারমিন অভিযোগের সুরে দেশ রূপান্তরকে বলেন, এলাকার রাস্তাগুলো নোংরা। ময়লার স্তূপ আর ধুলাবালিতে চলাচল করা কষ্টকর। গ্যাসের সংকটও প্রকট। কোনো মার্কা বুঝি না, যেই দল এসব সমস্যা দূর করবে এবং চাকরির সুযোগ ও ক্ষেত্র বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেবে তাদেরই ভোট দেবো। রিকশাচালক আব্দুল আজিজ বলেন, আমি ভাই নদীর ওপারের লোক, আমার নৌকাই লাগবে।