সেনাবাহিনী শুধু টহল দিলেই চলবে : জাফরুল্লাহ|112683|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৬:০৩
সেনাবাহিনী শুধু টহল দিলেই চলবে : জাফরুল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদক

সেনাবাহিনী শুধু টহল দিলেই চলবে : জাফরুল্লাহ

নির্বাচনে সেনাবাহিনী শুধু টহল দিলেই চলবে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

রোববার জাতীয়  প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম  আয়োজিত ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্ভাবনা ও শঙ্কা’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) থেকে সেনারা নামবেন। জনগণ আমাদের সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করে। তাদের প্রতি মানুষের আস্থা আছে। কারণ তারা কোনো অনৈতিক কাজকে সমর্থন করবে না।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ১৫ তারিখে মাঠে নামাবার কথা জানিয়েছিলাম, তখন তিনি বলেন, না একটু... আমি তখন বললাম কেন সেনবাহিনী কি পথ ঘাট চেনে না, তাদের কাছে গুগল ম্যাপ নেই, কেন তারা কি বাংলাদেশের সন্তান না,  তা যদি হয় তাহলে তো আমাদের স্বাধীনতা নিরাপদ না।

‘তিনি বললেন বাদ দিইনি, ২৪ তারিখে নামবেন। আমি বললাম তাদের কিছু করতে হবে না শুধু টহল দিলেই চলবে।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘রাস্তায় পোস্টার থাকুক আর না থাকুক।  জনগণের মার্কাতেই জনগণ ভোট দেবে। আর সেই মার্কা হচ্ছে ধানের শীষ। ধানের শীষ বিএনপির মার্কা নয়। আজকে এটা জাতির মার্কা, ধানের শীষ গণতন্ত্রের মার্কা।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন যেমন জয় বাংলা ছিল আমাদের স্লোগান। তেমনি ধানের শীষ জাতির আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, পরিবর্তনের প্রতীক, পরিবর্তনের মার্কা। জনগণ মনস্থির করে রেখেছে। এবারের খেলাটা ভিন্নভাবে হবে। হাজারে, হাজারে, লাখে, লাখে মানুষ ভোট দিতে আসবে। ভোট দেবে যাকে পছন্দ তাকে। ভারতীয় এজেন্টদের ভোট দেবে না তারা।’

প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে জাফরুল্লাহ বলেন,‘ যে দেশে প্রধানমন্ত্রী কথা রাখেন না সে দেশে নির্বাচন কমিশন কথা রাখবে তা আশা করা যায় না। প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা-চেতনার রিফ্লেকশন হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সাম্প্রতিককালে তিনি প্রতিবার কথা ভঙ্গ করেছেন। তিনি বলেছিলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন চান না, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন চান। কিন্তু তিন কথা রাখেননি।’

জাফরুল্লাহ আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, নির্বাচন তার অধীনে হবে। তবে ছোট আকারে নির্বাচনকালীন সরকার হবে। তিনি সংলাপে বলেছিলেন, তফসিল ঘোষণার পর আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। গায়েবি মামলা হবে না।’

আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা সাইদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ।