স্ত্রীকে মেরে ফেসবুকে পুলিশের সঙ্গে ‘লুকোচুরি’|112863|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৫:০৯
স্ত্রীকে মেরে ফেসবুকে পুলিশের সঙ্গে ‘লুকোচুরি’
অনলাইন ডেস্ক

স্ত্রীকে মেরে ফেসবুকে পুলিশের সঙ্গে ‘লুকোচুরি’

শ্রীবাস্তবকে নেপালে পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা করেন ধরমেন্দ্র।

সাবেক স্ত্রীকে খুন করেন জুনে। এরপর পুলিশকে ধোঁকা দিতে স্ত্রীর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দিনের পর দিন সচল রাখেন ভারতের এক চিকিৎসক। কিন্তু তাতেও তার শেষ রক্ষা হয়নি।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, গোরখপুরের সার্জন ধরমেন্দ্র প্রতাপ সিং দ্বিতীয় স্ত্রী রাখি শ্রীবাস্তবকে নেপালে একটি পাহাড় থেকে ফেলে হত্যা করেন। এরপর প্রায় সাত মাস রাখির ফেসবুক সচল রাখেন।

ওই চিকিৎসক এবং তার দুই সহযোগীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

ধরমেন্দ্রর মতো রাখিরও ‍দুই বিয়ে। বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে গেলে ধরমেন্দ্রর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তারপর প্রেম এবং বিয়ে। তখন ধরমেন্দ্র নিজের প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন করেন।

রাখি স্বামীর প্রথম বিয়ের কথা জানতে পেরে নিজেকে সরিয়ে নেন। পরে বিয়ে করেন মনিষকে সিনহা নামের আরেকজনকে। কিন্তু ধরমেন্দ্রর সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ ছিল। তাকে বিচ্ছেদের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।

ছুটি কাটাতে মনিষের সঙ্গে রাখি নেপালে যান। ধরমেন্দ্রও সেখানে হাজির হন। প্রথম স্বামীর কথা জানতে পেরে রাখি নেপালে আরও কয়েক দিনের জন্য থেকে যান। দেশে ফিরে আসেন মনিষ।

সেখানে বসে টাকার ব্যাপারে দুজনের আলোচনা হয়। একপর্যায়ে ধরমেন্দ্র রাখিকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে পাহাড় থেকে ফেলে দেন।

পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনিষকে সন্দেহ করলেও, পরে রাখির কললিস্ট ‘চেক’ করে আসল ব্যাপার বুঝতে পারে।

ফেসবুক সচল দেখে রাখির পরিবার এবং পুলিশ প্রথমে ধারণা করেছিল রাখি বেঁচে আছেন।

এই সাত মাস ধরমেন্দ্র পুলিশের সঙ্গে ফেসবুকে চ্যাটও করেন। বিভিন্ন ধরনের পোস্ট দিতে থাকেন। কিন্তু গ্রেপ্তার হওয়ার পর রিমান্ডের মুখে সব স্বীকার করেন।