কুলিয়ারচরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে গুলি, প্রার্থীসহ আহত ১০ |112917|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২১:৫২
কুলিয়ারচরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে গুলি, প্রার্থীসহ আহত ১০
ভৈরব প্রতিনিধি

কুলিয়ারচরে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে 
গুলি, প্রার্থীসহ আহত ১০

গুলিতে আহত বিএনপিকর্মী। ছবি: দেশ রূপান্তর

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশের রাবার বুলেটে বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলমসহ ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। রাবার বুলেটের স্প্রিন্টার প্রার্থীর হাতে বিদ্ধ হয়।

কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে সোমবার কুলিয়ারচর পৌর এলাকার গাইলকাটা নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে। 

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করে। এ সময় নেতাকর্মীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম, সহকারী উপ-পরিদর্শক নাজমুলসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন।

পুলিশের গুলিতে আহত বিএনপি ও ছাত্রদল কর্মী তপু, ফেরদৌস, রুবেল, কাশেম ও  ইব্রাহীমকে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে বিএনপি দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির অভিযোগ, দলীয় প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল আলম বিকালে নিজবাড়ি কুলিয়ারচর পৌর এলাকার বেতিয়ারকান্দি থেকে গণসংযোগে বের হন। তিনি নেতাকর্মীদের নিয়ে গাইলকাটা রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় পুলিশের একটি দল পেছন থেকে নেতাকর্মীদের ওপর শটগানের গুলি ছুড়তে থাকে।

এতে শরীফুল আলমসহ কমপক্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় নেতাকর্মীরা মানবঢাল তৈরি করে শরীফুল আলমকে নিয়ে চলে আসার সময় পাঁচ নেতাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

তবে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নান্নু মোল্লা দাবি করেন, বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে সহকারী উপ-পরিদর্শকসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।  

এ সময় বিএনপির পাঁচ নেতা-কর্মীকে আটক এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৭০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপের কথাও স্বীকার করেন তিনি।

এদিকে আজ রাত ৭টার দিকে বিএনপি প্রার্থী মো. শরীফুল আলম তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে জানান,  গত ১২ ডিসেম্বর উসমানপুর চৌমুরী বাজারে পথসভায় পুলিশের হামলায় আমি ও আমার বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হই। কিছুটা সুস্থ হয়ে দেড় সপ্তাহ পর আজ (সোমবার) নেতাকর্মীদের নিয়ে ১নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করে থানার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয়।

তিনি দাবি করেন, এ সময় আমরা বাড়ি ফেরার পথে পেছন থেকে পুলিশ অতর্কিতে গুলি চালায়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবী করে বলেন, তাকে হত্যার উদ্দেশে পুলিশ হামলা করছে। তিনি বলেন, জীবন বাজি রেখে নির্বাচনের মাঠে থাকব ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।