বাদশা-মিনু সমানে সমান|113102|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
বাদশা-মিনু সমানে সমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

বাদশা-মিনু সমানে সমান

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ভোটের লড়াইয়ে তৃতীয়বারের মতো মুখোমুখি বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এবং রাজশাহীর সাবেক মেয়র বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। এরমধ্যে জমে উঠেছে এ দুই হেভিওয়েটের লড়াই। প্রচারে অন্য আসনে নৌকা প্রতীক এগিয়ে থাকলেও এই আসনে নৌকা এবং ধানের শীষ সমানে সমান।

পরপর দু’বার মহাজোট সমর্থিত এমপি বাদশা এবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন। আর ধানের শীষ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) তিনবারের মেয়র এবং একবারের এমপি মিনু। ফলে এই আসনে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। রাজশাহীর ছয়টি আসনের মধ্যে শহরের এই আসনটি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়। প্রভাবশালী দুই নেতার মধ্যে লড়াইটাও বেশ জমজমাট হবে বলেই মনে করছেন রাজশাহীর সাধারণ ভোটার ও সমর্থকরা। এর আগের দুই নির্বাচনেও তাদের মধ্যে জমেছিল লড়াই।

বরাবরই আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তবে ২০০৮ সাল থেকে জোটগতভাবে দু’বার সংসদ সদস্য এবং ২০০৮ ও ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় আসনটিতে শক্ত অবস্থানে এখন আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলীয় জোট। এরমধ্যে ভোটযুদ্ধে মহাজোট মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সক্রিয়ভাবে মাঠে সিটি মেয়র মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি লিটনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সাবেক মেয়র ও মহানগর বিএনপি সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলসহ দলটির নেতাকর্মীরা।

বাদশা আর মিনু সর্বপ্রথম মুখোমুখি হন ২০০২ সালের রাসিক নির্বাচনে। সেবার মিনুর কাছে হেরে যান তিনি। এরপরে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বী হন তারা। কারাগারে থেকে ভোটে লড়া মিনু সেবার বাদশার কাছে পরাজিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয়বার জোটের মনোনয়ন পেয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হন বাদশা। এবারও এ আসনে নৌকার কাণ্ডারি তিনি। রাসিকের তিনবারে ১৭ বছর মেয়র ছিলেন মিজানুর রহমান মিনু। পাশাপাশি ২০০১ সালে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন। এর আগে দলটির যুগ্ম মহাসচিব ও রাজশাহী নগরের সভাপতি ছিলেন তিনি।