মহাজোটের তিন প্রার্থী বেকাদায় আ. লীগ|113126|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
মহাজোটের তিন প্রার্থী বেকাদায় আ. লীগ
হাসান ফয়জী, মানিকগঞ্জ

মহাজোটের তিন প্রার্থী বেকাদায় আ. লীগ

একাদশ সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসনে মহাজোটের তিন প্রার্থী প্রচারের মাঠে থাকায় বেকায়দায় পড়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। ভোটের আগে তারা সরে না দাঁড়ালে ভোট কমার শঙ্কায় রয়েছে মহাজোটের নেতৃত্বে থাকা দলটি। আসনটিতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম অবশ্য আশা করছেন, শেষমুহূর্তে সমস্যা মিটে যাবে, জোটের হয়ে ভোটের মাঠে তিনি একাই থাকবেন।

এই আসনে জোটগতভাবে মমতাজকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও আলাদাভাবে নির্বাচন করছেন শরিক দুই দলের নেতারা। লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি এস এম আবদুল মান্নান ও কুলা প্রতীকে মাঠে রয়েছেন যুক্তফ্রন্টের প্রধান সমন্বয়ক সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী গোলাম সরোয়ার মিলন। 

সিঙ্গাইর, হরিরামপুর উপজেলা এবং মানিকগঞ্জ সদরের হাটিপাড়া, ভাড়ারিয়া ও পুটাইল ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আসনটিতে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ নির্বাচন করছেন মমতাজ। তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সোমবার পর্যন্ত মহাজোটের লাঙ্গল ও কুলা মার্কার দুই প্রার্থী থাকলেও ভোটের আগে তারা আমাকেই সমর্থন করবে। আর আমার নির্বাচনী এলাকায় নদীরক্ষা বাঁধসহ ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করায় জনগণ আমাকেই জয়ী করবে।’

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি এস এম আবদুল মান্নান। এবারও ভোটের মাঠে রয়েছেন তিনি।  তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী গণসংযোগের সময় জনগণের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আমাকে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দিলে বিপুল ভোটে জয়ী হব।’ বিকল্পধারার প্রার্থী গোলাম সরোয়ার মিলন বলেন, ‘মহাজোটের তিন প্রার্থী থাকলেও একক প্রার্থী দেওয়ার সময় এখনো ফুরিয়ে যায়নি। মহাজোট থেকে নির্দেশনা এলে আমরা সরে দাঁড়াব।’

আসনটিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের একক প্রার্থী বিএনপি নেতা মইনুল ইসলাম খান শান্ত। দলীয় কর্মীদের আশা, মহাজোটের একাধিক প্রার্থী ও এলাকায় ধানের শীষের জনপ্রিয়তা থাকায় তাদের প্রার্থীই ভোটে জয়ী হবেন। এর বাইরে এ আসনে তরীকত ফেডারেশনের অ্যাডভোকেট ফেরদৌস আহম্মেদ আসিফ (ফুলের মালা প্রতীক) ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলী (হাতপাখা প্রতীক) নির্বাচন করছেন।