প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সহকারী শিক্ষক সমিতির|113190|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি
প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সহকারী শিক্ষক সমিতির
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ সহকারী শিক্ষক সমিতির

গত কয়েক বছর ধরে বেতন গ্রেডে বৈষম্য নিরসনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই বৈষম্য নিরসনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি। এতে সংগঠনের সভাপতি শামসুদ্দীন মাসুদ লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘বর্তমান সরকার শিক্ষার উন্নয়নে বিশেষভাবে নজর দিয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন দ্বিগুণ করেছে। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন কাঠামোতে এখনো কিছুটা বৈষম্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতন ও পদমর্যাদাগত বৈষম্য রয়েছে। ২০০৬ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেডের পার্থক্য হয় দুই গ্রেড এবং ২০১৪ সালে তিন গ্রেড পার্থক্য হয়। মূল বেতনের ব্যবধান হয় ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেলে এসে ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ ২০০৬ সালের আগে প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের মূল বেতনের পার্থক্য ছিল মাত্র ১০০ টাকা।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেলের ১১ গ্রেডে ১২ হাজার ৫০০ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক জাতীয় বেতন স্কেলের ১৪ গ্রেডে ১০ হাজার ২০০ টাকা পান। ১৬ বছর চাকরির পর একজন প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকের বেতনের এ ব্যবধান হবে ভাতাসহ প্রায় ২০ হাজার টাকা। একজন প্রধান শিক্ষক যে স্কেলে চাকরি শুরু করেন, একজন সহকারী শিক্ষক সে স্কেলেরও এক গ্রেড নিচে চাকরি শেষ করেন, যা সহকারী শিক্ষকদের জন্য চরম বৈষম্য। তবে এই বৈষম্য দূরীকরণের জন্য একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ইশতেহার রেখেছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।’ সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।