খুন হওয়ার ৬ বছর পর ছাত্রদলকর্মীর নামে ককটেল বিস্ফোরণের মামলা|113291|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২১:২৭
খুন হওয়ার ৬ বছর পর ছাত্রদলকর্মীর নামে ককটেল বিস্ফোরণের মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

খুন হওয়ার ৬ বছর পর ছাত্রদলকর্মীর নামে ককটেল বিস্ফোরণের মামলা

সিলেট-১ (মহানগর-সদর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ড. এ কে আবদুল মোমেনের নির্বাচনী প্রচারে বাধা, মারপিট ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা একটি মামলার আসামি হয়েছেন প্রায় ৬ বছর আগে খুন হওয়া ছাত্রদলকর্মী।

ওই ছাত্রদলকর্মীর নাম মাহমুদ হোসেন শওকতের নাম রয়েছে। সে ছাড়াও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে আরো শতাধিক ব্যক্তিকে। গত রবিবার সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন নৌকা মার্কার প্রচারকর্মী ফাহিম আহমদ হামিম।

মৃত ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করা প্রসঙ্গে কতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, বাদী তার লিখিত অভিযোগে যাদের নাম দিয়েছেন, তাদেরই এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। এখন পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রকৃত আসামিদের চিহ্নিত করবে।

তিনি জানান, এদের মধ্যে মৃত কিংবা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়- এমন কারো নাম থাকলে স্বাভাবিকভাবে তাদের নাম বাদ পড়বে।

মামলার এজাহারে বাদী ফাহিম আহমদ অভিযোগ করেছেন, গত রবিবার নগরীর কানিশাইল এলাকায় নৌকা মার্কার প্রচার চলাকালে আসামিরা বাধা দেন। একপর্যায়ে তারা রিকশায় লাগানো মাইক খুলে নেন।

এতে আরো বলা হয়, এ সময় ফাহিম আহমদ তাদের বাধা দিলে তারা তাকে মারধর ও গালিগালাজ করেন। পরে ককটেল ফাটিয়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। খবর পেয়ে কতোয়ালি পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত দুইটি ককটেলও উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় ফাহিম আহমদের দায়ের করা মামলার আসামিদের মধ্যে ২৭ নম্বরে নাম রয়েছে ছাত্রদলকর্মী মাহমুদ হোসেন শওকতের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই মাহমুদ হোসেন শওকত ২০১২ সালের ২২ মার্চ ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে খুন হন।