‘কোনো কমিশনার একক নির্দেশনা দিতে পারেন না’|113416|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
‘কোনো কমিশনার একক নির্দেশনা দিতে পারেন না’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘কোনো কমিশনার একক নির্দেশনা
দিতে পারেন না’

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের প্রতি ইঙ্গিত করে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম বলেছেন, কোনো কমিশনার একক নির্দেশনা দিতে পারেন না। দিলে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হতে পারে। কারণ এতে চেইন অব কমান্ড নষ্ট হয়। গতকাল বুধবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এইচ টি ইমাম বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন মানে সিইসি ও চার কমিশনার যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন।
কোনো কমিশনার বা যে কেউ একা কিছু বলা সমীচীন হবে না। সকালে গণমাধ্যমে একজন কমিশনারের বক্তব্য শুনেছি। আমরা নিজেরাই হতচকিত হয়ে গেছি। কারণ একজন কমিশনার এককভাবে কোনো নির্দেশনা দিতে পারেন না। যা সিদ্ধান্ত হবে সে বিষয়ে নির্দেশ দেবেন পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার সে সিদ্ধান্ত জানাবেন। কমিশন থেকে বের হয়ে আরেকজন ব্যক্তিগত মত দেবে তা গ্রহণযোগ্য নয়।’
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য বলেন, ‘কমিশনের বৈঠকে কোনো কমিশনার ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু তিনি তা বাইরে এসে বলতে পারেন না। এতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। সরকারি দল হিসেবে আমরা অনেক কিছুই বলতে পারি। অনেকের কাছে আমরা নির্দেশও দিতে পারি। কিন্তু তা না করে আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে বারবার আসি।’
সিইসির সঙ্গে বৈঠকে যান চলাচলে বিধিনিষেধ শিথিল, সাংবাদিকদের জন্য মোটরসাইকেল ব্যবহারে অনুমতি, প্রার্থী ও দলের দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য যান চলাচলের অনুমতি দেওয়ার বিষয়গুলো উল্লেখ করেছেন বলে জানান তিনি।
এইচ টি ইমাম বলেন, ‘অর্থের অনেক চালানের মধ্যে একটি ধরা পড়েছে। কালো টাকার প্রভাবের বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলা হয়েছে। নির্বাচনের দিন, অনলাইন মানি ট্রান্সফার বা মোবাইল ব্যাংকিং বন্ধ করার বিষয়ে কমিশনের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি এনজিওর বিষয়ে অবজারভেশন তুলে ধরা হয়েছে।’
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কমিশনের বৈঠকের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা কমিশনকে বলেছি আপনারা সবচেয়ে উঁচু প্রতিষ্ঠান। আমরা টেবিলও চাপড়াব না, ধমকও দেব না।’
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, নজিবুল্লাহ হিরু, এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার ও ড. সেলিম মাহমুদ এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।