logo
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
ভোটের ফল বস্তিতে
আশরাফুল ইসলাম রানা

ভোটের ফল বস্তিতে

মিরপুরের মধ্য মণিপুরীপাড়ায় খলিল সাহেবের বস্তিতে ঘরের সংখ্যা দুই হাজার। মোট বাসিন্দা প্রায় ছয় হাজার। এর মধ্যে ভোটার সংখ্যা দুই হাজারের কিছু বেশি। ভোটের মাঠের সর্বশেষ খবর জানতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কথা হয় বস্তিবাসীদের সঙ্গে। এখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদার বেশ জনপ্রিয়। খেটে খাওয়া মানুষরা জানালেন, কামাল মজুমদার ক্ষমতায় এসেই তাদের জন্য গ্যাস ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছেন। তবে পানির সমস্যা এখানে চরম আকার ধারণ করেছে। পানির অভাবে দু-তিন দিন গোসল করা হয়নি বলেও জানালেন কেউ কেউ।

কাফরুল ও মিরপুরের একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৫ আসনে ছোট-বড় বস্তির সংখ্যা প্রায় ৫০টি। ভোটার সংখ্যা প্রায় এক লাখ। যা মোট ভোটারের (৩ লাখ ৪০ হাজার ৫২৮) তিন ভাগের এক ভাগ। এসব ভোটার ভোটের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে জেনে প্রায় প্রতিদিনই বস্তি এলাকায় ধানের শীষ ছাড়া গণসংযোগে আসেন নৌকা, লাঙ্গল, হাতপাখাসহ অন্য দলের প্রার্থীরা।আসনটিতে কামাল আহমেদ মজুমদারের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে ধানের শীষ মার্কা নিয়ে লড়ছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান। তবে কাগজে-কলমে প্রার্থী হলেও কার্যত তাকে নির্বাচনী প্রচারে দেখা যায়নি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। কাফরুল, মিরপুর ১০ ও ২ নম্বর, সেনপাড়া, পর্বতা, মণিপুরীপাড়া, ৬০ ফিট, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়ার কোথাও তার নির্বাচনী পোস্টার চোখে পড়েনি। এমনকি নির্বাচনী কার্যালয় রয়েছে কি না কেউ বলতে পারেনি। এজন্য নিম্ন আয়ের অনেক ভোটার ধানের শীষের প্রার্থীর নামও বলতে পারেনি। ঢাকা-১৫ আসনে প্রার্থীসংখ্যা সাতজন। প্রধান দুই মার্কা নৌকা এবং ধানের শীষের বাইরে লাঙ্গল নিয়ে মাঠে আছেন জাতীয় পার্টির শামসুল হক, হাতপাখায় হেদায়েতুল্লাহ কাশেমী, বামজোটের ডা. আহমেদ সাজেদুল হকের মার্কা কাস্তে, জাকের পার্টির মান্নান মিয়া এবং বাঘ মার্কা নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন শামসুল আলম চৌধুরী।