ভীত নয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাকর্মী, ভোটাররা: কামাল হোসেন|113686|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৯:৪৮
ভীত নয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাকর্মী, ভোটাররা: কামাল হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভীত নয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাকর্মী, ভোটাররা: কামাল হোসেন

নির্বাচনের দিন অ্যাম্বুলেন্স  প্রস্তুত রাখার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনৈক কর্মকর্তাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নির্দেশ দিয়েছে এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় ফ্রন্টের শীর্ষনেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে সেদিন রক্তক্ষয়ী পরিবেশ সৃষ্টির অপচেষ্টা অথবা জনমনে ভীতি সঞ্চার করার জন্য এসব বলা হচ্ছে। এতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী, নেতাকর্মী, সমর্থকরা মোটেও ভীত নন। ভোটাররাও ভয় পাবেন না।

শুক্রবার বিকেলে পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ড. কামালের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফ্রন্টের নেতা ও গণফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জগলুল হায়দার আফ্রিক। সেনাবাহিনী ৩০ ডিসেম্বর ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

ড. কামাল বলেন, ঐক্যফ্রন্টকে প্রচারে নামতে নানাভাবে বাধা দেওয়া ও গণগ্রেফতারের বিষয়টি আজ সবার জানা। তারপরও ভোটাররা থেমে নেই। তারা নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিয়ে যার যার এলাকায় ফিরে গেছেন ১০ বছর পর তাদের কাঙ্ক্ষিত ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য। তারা মূলত ভোট উৎসবের অপেক্ষায়।

তিনি বলেন, চলমান সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। নির্বাচনের দিন ব্যাপক সহিংসতার আশংকা করছেন স্বয়ং মার্কিন রাষ্ট্রদূত। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবও। তাদের পক্ষ থেকে বরাবরই বলা হচ্ছে, ভোটের নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য। কিন্তু ভীতিকর অবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নতি বা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার দিন কারাগারে ছিল ৯০ হাজার বন্দি। অথচ গত বৃহস্পতিবার তা দাঁড়ায় ৯৭ হাজারে। বর্তমানে সেটা বেড়ে লক্ষাধিক। ইতিমধ্যে মামলা হয়েছে ৮৪৪টি, আহত হন ১৩ সহস্রাধিক, নিহত ৯ জন, হামলা হয়েছে ২ হাজার ৮৯৬টি। এ দিন দিন এ পরিসংখ্যান জ্যামিতিক হারে বাড়ছেই। গণগ্রেফতারের মধ্য দিয়ে দেশের কারাগারগুলোকে ঐক্যফ্রন্ট নেতা-কর্মীদের দিয়ে ভরে ফেলা হচ্ছে।