আন্তঃনগর ট্রেনে কষ্ট ও ভোগান্তি|113715|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
আন্তঃনগর ট্রেনে কষ্ট ও ভোগান্তি
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

আন্তঃনগর ট্রেনে কষ্ট ও ভোগান্তি

রাজধানী থেকে যে কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন নির্দিষ্ট গন্তব্যে ছেড়ে যায়, সেগুলো অধিকাংশই জরাজীর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে ট্রেনের সিটের অবস্থা করুণ, নোংরা-দুর্গন্ধময়, ছারপোকায় ভরপুর। হকার, দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রী ও ভিক্ষুকদের উৎপাতে অন্য যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ জরুরি। এ ছাড়া রেলের অনেকাংশের জমি অবৈধভাবে দখল হয়ে আছে। এ ব্যাপারে অবহেলা কাম্য নয়।

উল্লেখ্য যে, ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি সংকটের জন্য ট্রেনের শিডিউল ঠিক করা যাচ্ছে না। সরকার অর্থের অভাবে ট্রেনের ইঞ্জিন সময়মতো কিনতে পারছে না। যাত্রীসেবার মান খুবই নি¤œমানের। টিকিটের জন্য হাহাকার নিত্যনৈমিত্তিক দৃশ্য। অনেকেই কমলাপুরসহ যে কোনো রেলস্টেশন থেকে ট্রেনের টিকিট অসদুপায় অবলম্বন করে অথবা কালোবাজারিদের কাছ থেকে কেনে। টিটি, অ্যাটেনডেন্ট ও রেল কর্মচারীরা বিনা টিকিটের যাত্রীদের প্রতি একধরনের সদর্থক আচরণ করে থাকে। এ ছাড়া ট্রেনে মাদক, চোরাচালান ও অবৈধ মালামালের পরিবহন অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।

বাংলাদেশে রেলওয়ের ব্যবস্থা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের হলেও এই গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ খাতের উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। তাই রেলস্টেশনগুলোকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করা উচিত। ট্রেনের উন্নয়নে সরকারকে আরো মনোযোগী হতে হবে।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
গেন্ডারিয়া, ঢাকা।