logo
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
১৬ সংগঠনের উদ্বেগ
১৬ সংগঠনের উদ্বেগ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নির্বাচন হচ্ছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ সংগঠনের উদ্বেগ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নির্বাচন হচ্ছে

জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল)-সহ কমপক্ষে ১৬টি সংগঠন। তাদের দাবি, দেশে সরকার ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিয়ন্ত্রণ এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, আসন্ন নির্বাচনের বিশুদ্ধতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এ নির্বাচনকে কোনো যুক্তিতেই সুষ্ঠু ও অবাধ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।গতকাল শনিবার নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিবৃতি প্রকাশ করেছে আনফ্রেল। এতে স্বাক্ষর করেছে কমপক্ষে ১৬টি অধিকার বিষয়ক সংগঠন। তাতে সংগঠনগুলো

বলেছে, নিষেধাজ্ঞামূলক নির্বাচনী পরিবেশে ৩০ ডিসেম্বর (আজ) হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পর থেকেই সুশীল সমাজ, বিরোধী দল ও মিডিয়ার ওপর দমনপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে এর মাধ্যমে খর্ব করা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশের ক্ষয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক স্বাস্থ্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। চাপ সৃষ্টি হয়েছে আসন্ন নির্বাচনের বিশুদ্ধতা ও গ্রহণযোগ্যতার ওপরও। বাংলাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আনফ্রেলের পর্যবেক্ষক হিসেবে আসার কথা ছিল। ভিসা পেতে দেরি হওয়ার কারণে শেষ পর্যন্ত আসা বাতিল করেছে সংগঠনটি। তারপরও তারা বাংলাদেশের নির্বাচনের ওপর দৃষ্টি রাখছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।তাদের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, সত্যিকার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচনে সহিংসতা ও ভীতির কোনো স্থান থাকতে পারে না। সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে তারা বলেছে, ১০ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে বিরোধী দলের গাড়িবহরে কমপক্ষে ৩০টি হামলা হয়েছে। ১৫৯টি সংসদীয় আসনে ২০৭টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কমপক্ষে ৪৩ জন প্রার্থীর ওপর হামলা হয়েছে। মারাত্মক আহত হয়েছেন তাদের ১৩ জন প্রার্থী। গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিরোধীপক্ষের ১৭ প্রার্থীকে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৩টি সংসদীয় আসনে বিএনপির প্রার্থীদের অযোগ্য ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। রিপোর্টিংকালে নির্বাচনী সহিংসতায় নিহত হয়েছে পাঁচজন, আহত হয়েছে ২ হাজার ৬৮২ জন। এছাড়াও বিরোধীদলীয় সদস্যদের মারধর করা, দলীয় নেতাকর্মীদের বাড়িতে আগুন দেওয়া, নারী প্রার্থীদের ওপর হামলা করা ও বিরোধী দলের নির্বাচনী র‌্যালিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব হামলার উদ্দেশ্য একটিই ভোটারদের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেওয়া এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে খাটো করা।