গাইবান্ধায় ৩০ প্রার্থীর ২৪ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত|114267|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪০
গাইবান্ধায় ৩০ প্রার্থীর ২৪ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধায় ৩০ প্রার্থীর ২৪ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগও ভোট না পাওয়ায় গাইবান্ধার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩০ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৪ জনের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির একজন, জাতীয় পার্টির দুইজন, সিপিবির দুইজন, বাসদের একজন ও স্বতন্ত্র চারজনসহ ১৪টি দলের ২৪ জন প্রার্থী।

জেলা সার্ভার স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জনের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই আসনে ভোট জমা পড়েছে  দুই লাখ ৬৭ হাজার ৮৯৬টি। সে হিসেবে এই আসনের প্রার্থীদের ৩৩ হাজার ৭৬১টির নিচে কোনো প্রার্থী ভোট পেলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হবে।

এখানে যাদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে তারা হলেন- বাসদের গোলাম রব্বানী শাহ (১২৩ ভোট), গণফ্রন্টের শরিফুল ইসলাম (২০১ ভোট), গণতন্ত্রী পার্টির আবুল বাশার মো. শরিতুল্লাহ (৪৬৪ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আশরাফুল ইসলাম খন্দকার (১৪০০ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ (১৭৫ ভোট), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের হাফিজুর রহমান সদ্দার (১৬৪ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কাদের খান (১৫২৯ ভোট), আফরুজা বারী (৩৯৪ ভোট) ও এমদাদুল হক (১৯৬ ভোট)।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৩৩ হাজার ৫০১টির নিচে ভোট পাওয়ায় সিপিবির মিহির কুমার ঘোষ (৩৪০৭ ভোট), এনপিপির জিয়া জামান খান (২১৩ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আল আমীন (২২৮৯ ভোট), ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা যুবায়ের আহমদ (৩২৭ ভোট) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মকদুবর রহমানের (১৭৬ ভোট) জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী কাজী মো. মশিউর রহমান (৫৭১৭ ভোট), এনপিপির খন্দকার মো. রাশেদ (৮৪৮ ভোট), জাকের পার্টির আবুল কালাম (১৬২১ ভোট), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ছামিউল আলম (১২৫০ ভোট), বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সানোয়ার হোসেন (১১৬৬ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিনের (৫৩২১ ভোট) জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৬৯ হাজার ৭৯০টির নিচে ভোট পাওয়ার কারণে।

আর গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে ৩৪ হাজার ৩৪৯টির কম ভোট পাওয়ায় বিএনপির ফারুক আলম সরকার (১৯৯৯৬ ভোট), জাতীয় পার্টির এএইচএম গোলাম শহীদ রঞ্জু (৯২৩১ ভোট), সিপিবির যজ্ঞেশ্বর বর্মন (৩০৪ ভোট) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রাজ্জাক মন্ডলের (৭২০ ভোট) জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, নির্বাচনের আগে প্রত্যেক প্রার্থীর জামানত হিসেবে জমা থাকে ২০ হাজার টাকা করে। মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের নিচে এক ভোট কম পেলেই তার জামানতের টাকা নিয়মানুযায়ীই বাজেয়াপ্ত হয়।