থ্রিজির জন্য হাহাকার|114329|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২৩:১৪
থ্রিজির জন্য হাহাকার
অনলাইন ডেস্ক

থ্রিজির জন্য হাহাকার

নির্বাচন চলাকালে রোববার রাতে তৃতীয়বারের মতো বন্ধ হয়ে যায় মোবাইল ফোনের থ্রিজি-ফোরজি সেবা। সোমবার বছরের শেষ দিন রাত এগারটা পর্যন্তও থ্রিজি চালু না হওয়ায় মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মাঝে দেখা দেয় হাহাকার। 

জিরো ফেসবুক বা টুজি থেকে ফেসবুকে এসে অনেকে থ্রিজি ফেরত চেয়ে পোস্ট দেন। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও লেখিকা রওশন আরা দেশ রূপান্তরকে জানান, এমন না যে মানুষ নেট দিয়ে শুধু ফেসবুক চালায়। আমার একটা প্রজেক্টের জন্য এই মুহূর্তে ইন্টারনেট খুবই প্রয়োজন। কিন্তু কাজ করতে পারছি না। অসহায় লাগছে।

উপমা নামে একজন লিখছেন, আমি রাজনীতি করি না। প্রেম করি। এবার থ্রিজিটা দেওয়া হোক। 
জয়পুরহাট থেকে নাসির নামে একজন ফেসবুকে লিখেছে, নির্বাচন তো শেষ। এখন থ্রিজি ফেরত দিলে কী এমন ক্ষতি হবে?

সানজিদা নামে আরেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, মায়ের জন্মদিন। মায়ের  একটা ছবি আপলোড দিয়ে উইশ করার জন্য কাল রাত থেকে অপেক্ষা করছি। থ্রিজি আর আসল না। থ্রিজি বন্ধ রাখার কারণ বুঝতে পারছি না। ইচ্ছে করছে বাসা ছেড়ে হলে চলে যাই। কারণ হলে ওয়াইফাই আছে।

থ্রিজি বন্ধ থাকায় নানা পেশার মানুষজন বিশেষ করে জেলা বা থানা শহরে বসবাসরতদের থ্রিজির জন্য হাপিত্যেশ করতে দেখা যায়। 

রবিবার রাত সাড়ে ৮টার পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসির নির্দেশে থ্রিজি-ফোরজি বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে বিটিআরসি নির্দেশ দেয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মোবাইল ইন্টারনেটের থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ রাখত হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ১০টার পর দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনার পর টু জি ইন্টারনেট সেবা চালু ছিল।