৯৪% ঘরে বিদ্যুৎ গেছে : নসরুল|114606|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০
৯৪% ঘরে বিদ্যুৎ গেছে : নসরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক

৯৪% ঘরে বিদ্যুৎ গেছে : নসরুল

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১০ বছরে ৯৪ ভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। তিনি বলেন, ‘ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর পাশাপাশি এলপিজির ব্যাপক সম্প্রসারণ হয়েছে। সাশ্রয়ী ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ করাই বড় চ্যালেঞ্জ। এখন এই দুই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।’ গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির আমদানি-রপ্তানিতে পরিবর্তন আসছে, যে কারণে আমাদের মাস্টারপ্ল্যান রিভিউ করেছি। আমরা আমদানির পাশাপাশি রপ্তানি করতে চাই। আমরা চিন্তা করছি, আগামী শীত মৌসুমে নেপালে বিদ্যুৎ রপ্তানি করব। কেননা তখন আমাদের চাহিদা কম থাকে। নির্বাচনের দিন অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর মাত্র সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল অথচ আমাদের গড় উৎপাদন ১২ হাজার মেগাওয়াট।’  তিনি বলেন, ‘কোনো কাজ করার আগে তিনটি জিনিস নিয়ে পরিকল্পনা করতে হয়, সেটা হচ্ছে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি। আমরা স্বল্পমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনায় মোটামুটি সফলতার কাছে পৌঁছে গেছি। এখন টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দিকে যাচ্ছি।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন এ তথ্য জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রকল্পের জন্য অর্থের সংস্থান করা। তবে আওয়ামী লীগ সরকারের এই বিপুল বিজয়ে বড় বড় দেশগুলো সরকারের প্রতি আস্থা রেখেছে। ফলে অর্থায়ন নিশ্চিত করা কঠিন বিষয় হবে না বলেই মনে করি।’ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ পেতে হলে আমাদের প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটাতে হবে। বিশ্বে এখন নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটছে। 

 নতুন প্রযুক্তিগুলো আমাদেরও গ্রহণ করতে হবে।’ সম্প্রতি ভারত সরকার বিদ্যুৎ আমদানি-রপ্তানির শর্ত শিথিল করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য বড় সুযোগ। আমরা এখন কম দামে আমদানি করতে পারব। আবার আমাদের যখন পর্যাপ্ত মজুদ থাকবে তখন রপ্তানিও করতে পারব।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান আবার সংশোধন করে কোন জ্বালানিতে কতটুকু বিদ্যুৎ নেব তা ঠিক করতে হবে।’