ফিলিপাইনের আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আহ্বান বাংলাদেশের|116354|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ১১:৫৯
ফিলিপাইনের আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আহ্বান বাংলাদেশের
অনলাইন ডেস্ক

ফিলিপাইনের আরও ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আহ্বান বাংলাদেশের

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের এক ব্যাংক কর্মকর্তা দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার ফিলিপাইনের একটি আদালতে ম্যানিলাভিত্তিক রিজাল কমার্সিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মাইয়া সান্তোস দেগুইতোর বিরুদ্ধে রিজার্ভ চুরি ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

তার বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের আটটি অভিযোগের প্রথমটি ছিল, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আট কোটি ১০ লাখ ডলার গায়েব করার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল তার।  

আরসিবিসির সাবেক এ  শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের পর দেশটির বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে একটি বিবৃতি পাঠানো হয় ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সিকে (পিএনএ)।

তে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানানো হয়।

পিএনএ’র বরাত দিয়ে স্থানীয় পিটিভি নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, বিবৃতিটিতে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘আরসিবিসির ছয় কর্মকর্তার চুরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আরও একটি মামলা চলছে বিচার বিভাগে। আশা করছি, এ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হবে এবং শিগগিরই কোনো সিদ্ধান্ত পাব আমরা।’

তবে এ বিষয়ে ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তাদের মতে, এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করার মতো সময় আসেনি।

আটটি অভিযোগই প্রমাণিত হওয়ায় ৩২-৫৬ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে মাইয়ার। সেইসঙ্গে সাবেক এ ব্যাংক কর্মকর্তাকে দশ কোটি ৯০ লাখ ডলার অর্থদণ্ডও দিয়েছে আদালত।

তিনবছর আগে বিশ্বের অন্যতম সাইবার চুরির এ ঘটনা ঘটে।  বিশ্বব্যাপী আলোড়ন তোলা এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মাইয়াকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত সেইসঙ্গে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সুইফট পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে করা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ওই অর্থ চুরি করে দুর্বৃত্তরা।

গায়েব করে দেওয়া বিপুল পরিমাণ এ অর্থ আরসিবিসির ম্যানিলার একটি শাখায় পাঠানো হয়। মাইয়া ছিলেন ওই শাখার ব্যবস্থাপক। সেখান থেকে এ টাকা ফিলিপাইনের ক্যাসিনো ইন্ডাস্ট্রিতে চলে যায়।