নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না: আইজিপি|121523|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২০:২৫
নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না: আইজিপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না: আইজিপি

বুধবার পুলিশের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর নেতৃত্বে কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে দেখা করেন।

নিরীহ মানুষকে হয়রানি না করতে পুলিশ সদস্যদের আহ্বান জানিয়েছেন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

তিনি বলেন, মানুষকে সব ধরনের সেবা দিতে হবে। কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হলে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

বুধবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে এসব বলেন পুলিশ প্রধান। এ সময় অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) মোখলেসুর রহমান, র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০১৮ সালে প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘আইজিপি এক্সেমপ্লরি গুড সার্ভিস ব্যাজ’ পড়েন পুলিশের ৫১৪ কর্মকর্তা ও সদস্য। ব্যাজ পড়ান আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী। এর আগে গত বছর আইজিপি ব্যাজ পেয়েছিলেন ৩২৯ জন। 

এ ছাড়া একই অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামাল উদ্ধারে সাফল্য অর্জনকারী ইউনিটকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। পুলিশ সপ্তাহ ২০১৯ এ কুচকাওয়াজ প্রতিযোগিতায় প্রথম শিল্প পুলিশ, দ্বিতীয় এপিবিএন এবং যৌথ মেট্রোপলিটন দলসহ পুলিশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হয়।

আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, কোনো অবস্থাতেই নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা যাবে না। এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারির আওতায় রাখতে হবে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি বলেন, মাদক বর্তমানে একটি জাতীয় সমস্যা। সামাজিকভাবে এর মোকাবিলা করতে হবে। আমরা মাদককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। ২০১৮ সালে ১ লাখ ১২ হাজার মাদক মামলায় প্রায় দেড় লাখ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য। আইজিপি বলেন, মাদক কারবারীদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কোনো সখ্য থাকতে পারবে না। এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহিষ্ণুতার কথা জানিয়ে পুলিশপ্রধান বলেন, পুলিশ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। বর্তমানে দেশ অনেকাংশেই জঙ্গির আগ্রাসন থেকে মুক্ত।

আইজিপি ব্যাজ ও পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, পুরস্কার নামমাত্র উপহার নয়। এটা আপনাদের দক্ষতার স্বীকৃতি। এবারই প্রথম আইজি ব্যাজ প্রাপ্তদের নগদ ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ২০১৮ সালে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক দ্রব্য ও চোরাচালান  মালামাল উদ্ধারে সাফল্য অর্জনকারী ইউনিটকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের আগে আইজিপির নেতৃত্বে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।