একুশে পদকপ্রাপ্তদের সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী|124567|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ১৯:৪২
একুশে পদকপ্রাপ্তদের সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

একুশে পদকপ্রাপ্তদের সম্মাননা তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পপ সম্রাট আজম খানের মরণোত্তর একুশে পদক -২০১৯ গ্রহণ করছেন তার মেয়ে বেগম ইভা খান। ছবি: ফোকাস বাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২১ জন ব্যক্তির হাতে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক -২০১৯ তুলে দিয়েছেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে পদকপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালেদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ও সংস্কৃতি সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল উপস্থিত ছিলেন।

এবার পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেকে ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, এককালীন দুই লাখ টাকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, একুশ আমাদের মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখিয়েছে। এখান থেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে এগিয়ে যায় বাঙালি জাতি। 

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই ২১জনের নাম ঘোষণা করে। এবার একুশে পদকপ্রাপ্তরা হলেন, ভাষা আন্দোলনে মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুন (মরণোত্তর), গোলাম আরিফ টিপু এবং অধ্যাপক মনোয়ারা ইসলাম একুশে পদক পান। আর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্যকে পদক দেওয়া হয়েছে। 

প্রয়াত পপ তারকা আজম খান ও নজরুল সংগীত শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিলের সঙ্গে এবার সংগীত বিভাগে এ পদকে ভূষিত হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী।

অভিনয়ে একুশে পদক পেয়েছেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ও অভিনয় শিল্পী সুবর্ণা মুস্তাফা; একই বিভাগে অভিনয় শিল্পী লাকী ইনাম ও লিয়াকত আলী লাকীও একুশে পদক পেয়েছেন। 

দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী সাইদা খানম আলোকচিত্রে এবং চিত্রশিল্পী জামাল উদ্দিন আহমেদ চারুকলায় পুরস্কার পেয়েছেন। গবেষণায় বিশ্বজিৎ ঘোষ ও মাহবুবুল হক এবং শিক্ষায় প্রণব কুমার বড়ুয়াকে এই পদক দেওয়া হয়। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একুশে পদকপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন এবং মরণোত্তর একুশে পদক বিজয়ী মরহুম অধ্যাপক হালিমা খাতুনের পক্ষে তার কন্যা বেগম প্রজ্ঞা লাবনী এবং পপ সম্রাট আজম খানের পক্ষে তার কন্যা বেগম ইভা খান পুরস্কার গ্রহণ করেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. আবু হেনা মুস্তফা কামাল স্বাগত বক্তৃতা করেন।

মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং পদক বিজয়ীদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পাঠ করেন।

উল্লেখ্য, ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সাল থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক দিয়ে আসছে সরকার।