‘মামলা জট কমানোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে সরকার’|125619|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ২২:১৯
‘মামলা জট কমানোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে সরকার’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘মামলা জট কমানোকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে সরকার’

বর্তমান সরকার মামলা জট কমানোকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, এ জন্য সরকার বিচারকের সংখ্যা বাড়ানোসহ বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে।

সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য সৈয়দ আবু হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের উচ্চ আদালত ও অধস্তন আদালতে সর্বমোট বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩৫,৬৯,৭৫০টি। এর মধ্যে বিচারাধীন ফৌজদারি মামলার সংখ্যা ২০,৪৮,০৬৭টি। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন হয়েছে। বর্তমান সরকার মামলা জট কমানোকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, সারা দেশের ফৌজদারি মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে বিচার কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বিচারকের সংখ্যা বৃদ্ধি ও এজলাস সংকট নিরসনে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বিচার কাজে গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের বিশেষ উদ্যোগে বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারকের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে বলেও সংসদে জানান আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনকে গতিশীল করা হয়েছে যাতে শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া যায়। ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত অধস্তন আদালতে মোট ৫৭১ জন সহকারী জজ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং ইতিমধ্যে সারাদেশে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ২২তম জুডিশিয়াল সার্ভিস নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে সহকারী জজ নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে মৌখিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আইন ও বিচার বিভাগ থেকে পরবর্তীতে আরও ১০০ জন সহকারী জজ নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনে চাহিদাপত্রও পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।