logo
আপডেট : ২০ মার্চ, ২০১৯ ২২:১৩
বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠান তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠান তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে চান প্রধানমন্ত্রী

ছবি: বাসস

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ঢাকা শহর বা দেশের বড় বড় শহরে যেন এটা সীমাবদ্ধ না থাকে, আমরা সারা দেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানমালা ছড়িয়ে দিতে চাই।’

বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি এবং বাস্তবায়ন কমিটির যৌথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মার্চ মাস আমাদের জন্য খুবই অর্থবহ মাস। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন। আবার ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। কাজেই ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত বছরটাই আমরা ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে উদ্‌যাপন করবো।’ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী যথাযথভাবে উদযাপন করা আমাদের জাতীয় কর্তব্য বলেও উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘জীবনের সবকিছু ত্যাগ করে এ দেশের মানুষের জন্যই কষ্ট স্বীকার করে গেছেন জাতির পিতা। সেই কষ্টের ফসল হিসেবেই আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা, স্বাধীন জাতির মর্যাদা। কাজেই এটা আজকে আমাদের একটা জাতীয় কর্তব্য। আমি মনে করি, তার জন্ম শতবার্ষিকী আমরা ভালোভাবে উদ্‌যাপন করবো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা তার জীবনের সব থেকে মূল্যবান সময় এ দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ব্যয় করেছেন। মানুষের ওপর অত্যাচার, শোষণ, বঞ্চনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে দিনের পর দিন কারাবরণ করেছেন।

সরকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ইতিমধ্যেই ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত সময়কে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে তা যথাযথভাবে উদ্‌যাপনে বিশিষ্ট জনদের নিয়ে একটি ১০২ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি এবং বাস্তবায়নের জন্য ৬১ সদস্য বিশিষ্ট যে কমিটি করেছে, আজ ছিল তারই প্রথম যৌথ বৈঠক।

‘মুজিব বর্ষের’ প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সারা দেশের সকল জেলা, উপজেলা, থানা এবং ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এই অনুষ্ঠানমালা চলবে।

অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।