বনানীর অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রায় সবার পরিচয় মিলেছে|132562|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০১৯ ০৯:৪২
বনানীর অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রায় সবার পরিচয় মিলেছে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বনানীর অগ্নিকাণ্ডে নিহত প্রায় সবার পরিচয় মিলেছে

রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের প্রায় সবারই পরিচয় মিলেছে। বৃহস্পতিবারের এঘটনায় ১৯ জন নিহত এবং ৭৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং ইউনাইটেড হাসপাতালে লাশগুলো থাকার কথা জানা গেছে। একটি লাশ ছিল অ্যাপোলো হাসপাতালে।

ঢামেকে নয়জনের লাশ শনাক্ত করা হয়। তারা হলেন- নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের জহিরুল হকের ছেলে ফজলে রাব্বি (২৭), লালমনিরহাট পাটগ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে আনজির আবির (২৪), যশোর কোতোয়ালির মুজাহিদুল ইসলামের মেয়ে শেখ জারিন তাসনিম বৃষ্টি (২৭), পাবনা আতাইকুলার আইয়ুব আলীর ছেলে আমির হোসেন রাব্বি (২৯), শরীয়তপুরের পালং উপজেলার মৃত আবদুল কাদির মির্জার ছেলে মির্জা আতিকুর রহমান (৪৪), নওগাঁ সদর উপজেলার মন্সুর মণ্ডলের ছেলে মঞ্জুর হাসান মণ্ডল (৩৫), ইইউআর সার্ভিস বিডি লিমিটেডের সহকারী ব্যবস্থাপক আবদুল্লাহ আল-ফারুক (৩২), রুমকি আক্তার (৩০) ও ইকতিয়ার হোসেন। তারা সবাই ওই ভবনের বিভিন্ন তলায় চাকরি করতেন।

এদিকে হেরিটেজ এয়ার এক্সপ্রেসের কর্মী রুমকির স্বামী মাকসুদুর রহমানের লাশ ইউনাইটেড হাসপাতালে শনাক্ত করেন তার খালাতো ভাই ইমতিয়াজ।

কুর্মিটোলায় হাসপাতালে থাকা সাতটি লাশের একটি শ্রীলঙ্কার নাগরিক নিরস ভিগ্নেরাজার (২৮)। তিনি স্ক্যানওয়ে লজিস্টিক লিমিটেড নামে একটি কার্গো পরিবহন কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক ছিলেন।

নাহিদুল ইসলাম ও জেবুন্নেসা নামে আরও দুজনের লাশ শনাক্ত হয়েছে কুর্মিটোলায়। তারা দুজন ওই ভবনে থাকা হেরিটেজ এয়ার এক্সপ্রেস-এ চাকরি করতেন।

এছাড়া সালাউদ্দিন নামে একজনের লাশ ছিল কুর্মিটোলায়। তার বাসা ঢাকার মগবাজারে। আসিফ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম রাজুর লাশও যায় কুর্মিটোলায়। তার বাড়ি বাড়ি চাঁদপুর।

এছাড়া আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে হেরিটেজ এয়ার এক্সপ্রেসের অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের লাশও উদ্ধার করা হয়েছে ভবনটি থেকে।

এদিকে ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, অ্যাপোলো হাসপাতালে থাকা একজনের মৃতদেহ তার স্বজনের আবেদনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে বনানীর ১৭ নম্বর রোডে ২২তলা বিশিষ্ট এফআর টাওয়ারে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৯ ইউনিট কাজ করে। সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীসহ, র‌্যাব-পুলিশ উদ্ধার তৎপরতায় নিয়োজিত ছিল। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।