বিএসএমএমইউতে বোমা: ‘বিএনপির সংযোগ তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন’ |147418|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৮ জুন, ২০১৯ ১৯:৫৩
বিএসএমএমইউতে বোমা: ‘বিএনপির সংযোগ তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন’
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

বিএসএমএমইউতে বোমা:  ‘বিএনপির সংযোগ তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে পেট্রল বোমা সদৃশ বোতল উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে বিএনপির সংযোগ রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ঘটনার সঙ্গে খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড বা অন্য কোন হাসপাতালে সরানোর পরিকল্পনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী।

শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়াানজী পুকুর পাড়ের বাসভবনে আয়োজিত এক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউ হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের তৃতীয় তলার রেজিস্ট্রারের কক্ষের সামনে থেকে পেট্রল বোমাসদৃশ একটি বোতল উদ্ধার করে শাহবাগ থানার পুলিশ। এই হাসপাতালেরই আরেকটি ভবনের কেবিন ব্লকের ৬২১ নম্বর কক্ষে কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন। বোমা সদৃশ বোতল উদ্ধারের পেছনে ‘ওপর মহলের নীলনকশা’ রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, রিজভী আহমেদ কারণে অকারণে প্রতিদিনই সংবাদ সম্মেলন করেন। এই পেট্রলবোমার সাথে রিজভী আহমেদরাই ভালো পরিচিত। তার উদ্বিগ্ন হবার কারণ জানি না। তাদের কর্মীরাই ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে পেট্রলবোমা মানুষের উপর নিক্ষেপ করেছে। শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। বাস-ট্রাক পুড়িয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে আগুনে ঝলসে দিয়েছে। ঘুমন্ত মানুষের উপর পেট্রলবোমা মেরেছে। এখন হাসপাতালে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়াতে বরং আমরা বেশি উদ্বিগ্ন।

তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে সব সময় বেগম খালেদা জিয়া বিএসএমএমইউতে চিকিৎসা নিবেননা বলা হচ্ছিল। একটি বিশেষ হাসপাতালের কথা তিনি এবং তাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল বারবার। এখানে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়া সেই পরিকল্পনারই কোন অংশ কিনা সেটি বরং খুঁজে বের করা দরকার।

খালেদা জিয়ার সাথে ঈদের দিন দেখা করতে না দিয়ে জেল কোড লঙ্ঘন করা হয়েছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, নিজের মতো ব্যাখ্যা না দিয়ে মির্জা ফখরুলের উচিত ছিল জেল কোড ভালো করে পড়ে নেয়া। জেল কোডে বলা আছে উৎসবের দিনে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু বান্ধবকে দেখা করতে দিতে হবে। মির্জা ফখরুলসহ দলের ঊর্ধ্বতন নেতারা খালেদা জিয়ার বন্ধুবান্ধব নয়, তারা হলেন রাজনৈতিক নেতা বা সহকর্মী। এখানে জেল কোডের কোন লঙ্ঘন হয়নি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলীয় ঊর্ধ্বতন নেতারা সেই ক্যাটাগরির মধ্যে পড়েনা। সাতজন আত্মীয়-স্বজনকে দেখা করতে দেয়া হয়েছে।