মসজিদের মাইকে ডেকেও ভোটারদের সাড়া মেলেনি|149655|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৯ জুন, ২০১৯ ০১:০৯
মসজিদের মাইকে ডেকেও ভোটারদের সাড়া মেলেনি
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

মসজিদের মাইকে ডেকেও ভোটারদের সাড়া মেলেনি

নারায়ণগঞ্জে বন্দর উপজেলা নির্বাচনে পরিষদ নির্বাচরে মহিলা ভাইসচেয়াম্যান পদে শালিমার হোসেন শান্তা এবং পুরষ ভাইসচেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির সানাউল্লাহ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

মঙ্গলবার বন্দর উপজেলার ৫৪টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। তবে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম।

এই উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায়  চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও দলীয় মনোনীত প্রার্থী এম এ রশিদ।

নারী ভাইসচেয়াম্যান ছালিমা হোসেন শান্তা ফটবল প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১১ হাজার ৩শ ৩৭ ভোট। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির সমর্থিত এ্যাডভোকেট মাহমুদা মালা কলস প্রতিক নিয়ে পেয়েছেনস ৪ হাজার ১৪২ ভোট।

পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির সানাউল্লাহ সানু পেয়েছেন উড়োজাহাজ প্রতিক নিয়ে ১১ হাজার ৬শ ৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি পেয়েছেন ২ হাজার ৪শ ৬৮ ভোট ।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত একটানা ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তবে অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম।

অনেক ভোট কেন্দ্রে ছিল ফাঁকা। ভোটার উপস্থিতি কম দেখে বিভিন্ন এলাকার মসজিদের মাইকে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার আহবান জানানো হলেও সাড়া মেলেনি।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবে নির্বাচনে কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা বা সহিংসতার কোন খবর পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী ও ভোটাররা জানান, সিলেকশনের নির্বাচন হওয়ার কারণে ভোটারদের আগ্রহ নেই। সিলেকশনের কারণে চেয়ারম্যান পদে ভোটের আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভপতি এম রশিদ নির্বাচিত হয়ে গেছে।

তাই নির্বাচন নিয়ে কোরো কোন আগ্রহ ছিলো না। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ পদে ৫ প্রার্থী হলেও সমঝোতায় সিলেকশন হয়ে গেছে। শুধু ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা পদে তিন প্রার্থী রয়েছে। এ কারনে  ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম।

দীঘলদী এলাকায় দুপুর আড়াইটার দিকে মসজিদের মাইক থেকে মাইকিং করে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসার জন্য আহবান জানানো হয়। মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলা হয়, ভোটার কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে।

আপনারা (ভোটাররা) খাওয়া দাওয়া করে ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে চলে আসুন। তবে এতে কারো সাড়া পাওয়া যায়নি।

দুপুর পৌঁনে একটার দিকে দীঘলদি সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ৪৯টি ভোট পড়েছে মাত্র।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানা গেছে, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৫৪টি। এর মধ্যে ৪০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। মোট ভোটার সংখ্যা হলো ১ লাখ ১৪ হাজার  ৫’শ ৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৫৮ হাজার ৩ শ’ ২৫ জন ও মহিলা ভোটার সংখ্যা হলো ৫৬ হাজার ২’শ ৬৪ জন।