logo
আপডেট : ১৯ জুন, ২০১৯ ১৯:০০
স্বাস্থ্যবিমা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্যবিমা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের স্বাস্থ্যবিমা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যেই, এ লক্ষ্যে তিনটি উপজেলায় পরীক্ষামূলক স্বাস্থ্যবিমা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

বুধবার জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিমা চালুর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের মধুপুর, ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলায় পরীক্ষামূলক স্বাস্থ্যবিমা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পরীক্ষামূলক এ কর্মসূচি সফল হলে সারা দেশে এটি চালু হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য সরকার হেলথ কেয়ার ফাইন্যান্সিং স্ট্র্যাটেজি ২০১২-২০১৩ প্রণয়ন করেছে। এর অধীনে প্রাথমিকভাবে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের লক্ষ্যে ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি’ শীর্ষক পাইলট প্রকল্প কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পাইলট এলাকায় দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী পরিবারের সদস্যদের ৭৮টি ভর্তিযোগ্য রোগের বিনা মূল্যে অন্তঃরোগী সেবা প্রদান করা হচ্ছে। পাইলট প্রকল্প ৩ টি উপজেলা থেকে সংশ্লিষ্ট জেলার বাকি ৯টি উপজেলায় সম্প্রসারণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পাইলটিং সফল হলে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

গণফোরামের মোকাব্বির খানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এখন (এপ্রিল ২০১৯) দেশে মোবাইল গ্রাহক ১৬ কোটি ৫ লাখ। ২০০৮ সালে ছিল সাড়ে ৪ কোটি। বর্তমানে ইন্টারনেট গ্রাহক ৬০ লাখ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯ কোটি ৩৭ লাখ। বর্তমানে টেলিডেনসিটি ৯৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও ইন্টারনেট ডেনসিটি ৫৭ শতাংশ। ২০০৮ সালের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ চার্জ প্রতি এমপিপিএস ২৭ হাজার থেকে কমে ২৮৫ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত বছরের ১২ নভেম্বর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং গত ১৯ মে থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতিসংঘের ই-গভর্নমেন্ট সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশকে পেছনে ফেলে ২০১৮ সালে ১১৫ তম অবস্থানে পৌঁছেছে।