রানের সাগর পাড়ি দিতে হবে টাইগারদের|150005|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ জুন, ২০১৯ ১৯:৫২
রানের সাগর পাড়ি দিতে হবে টাইগারদের
অনলাইন ডেস্ক

রানের সাগর পাড়ি দিতে হবে টাইগারদের

ছবি: এএফপি

বিশ্বকাপকে অনেক কিছু প্রমাণের মঞ্চ হিসেবে নিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। দীর্ঘ এক বছর অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দল থেকে নির্বাসিত ছিলেন। সেই জ্বালা যে তিনি বিশ্বকাপে মেটাবেন তার আভাস দিয়েছিলেন গেল আইপিএলেই।

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে চলমান আসরে শুরু থেকেই ওয়ার্নার পুড়িয়ে যাচ্ছেন প্রতিপক্ষকে। বৃহস্পতিবার নটিংহামে ছাড় দিলেন না বাংলাদেশকেও। এই ব্যাটারের দেড় শর সঙ্গে উসমান খাজা ও অ্যারন ফিঞ্চও খেললেন দারুণ ইনিংস। তাতে ৩৮১ রানের বিশাল পুঁজি পেল অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচ জিততে হলে এখন বাংলাদেশকে রানের সাগর পাড়ি দিতে হবে।

টস জিতে এদিন আগে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল অজিরা। নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ৩৮১ রান করে দলটি। অজিদের ইনিংসে ৪৯তম ওভার শেষ হতেই বৃষ্টি হানা দেয়। তবে খানিক পরই বৃষ্টি থামলে বাকি এক ওভার ব্যাট করে অজিরা।

ডেভিড ওয়ার্নার সর্বোচ্চ ১৬৬ রান করেছেন। উসমান খাজা ৮৯ ও অ্যারন ফিঞ্চ করেছেন ৫৩ রান। ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল করেন ৩২। বাংলাদেশের বোলারদের ব্যর্থতার দিনে সফল ছিলেন সৌম্য সরকার। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ৮ ওভার বল করে ব্যয় করেন ৫৮ রান। এ ছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান নেন ১ উইকেট।

দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওয়ার্নার বাংলাদেশের বোলারদের ভোগান্তির কারণ হলেন শুরু থেকেই। মাত্র ১০ রানে জীবন পাওয়া এই ব্যাটার তুলে নিলেন আসরে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ১১০ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় সেঞ্চুরি পূরণ করেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে যা তার ১৬তম সেঞ্চুরি।

সেঞ্চুরি করেই যে থামবেন না সেটি তার ব্যাটিংয়ের দাপট দেখেই বোঝা গিয়েছিল। ১২৩ বলে ১৫০ রান পূরণ করেন ওয়ার্নার। টাইগার বোলারদের হতাশায় ডুবিয়ে উদ্বোধনী জুটিতে অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে ১২১ রান যোগ করেন ওয়ার্নার। পার্টটাইম বোলার সৌম্য সরকার এই জুটি ভাঙেন। আক্রমণে এসেই তুলে নেন ৫৩ রান করা ফিঞ্চকে।

দ্বিতীয় উইকেটে উসমান খাজাকে নিয়ে ১৯২ রান যোগ করেন ওয়ার্নার। এই জুটিও ভেঙেছেন সৌম্য। ওয়ার্নারকে ফিরিয়ে। ১৪৭ বলে ১৪ চার ও ৫ ছক্কায় ওয়ার্নার খেলেছেন ১৬৬ রানের ইনিংসটি।

তিন নম্বরে নামা উসমান খাজা এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। তাকেও ফেরান সৌম্য। ৭২ বলে ১০ চারে ৮৯ রান করেন খাজা। এর আগে ১০ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩২ রান করে ম্যাক্সওয়েল রান আউটে কাটা পড়েন।

আর খাজা ফিরে যাওয়ার এক রানের ব্যবধানে স্টিভ স্মিথ (১) ফিরে যান মোস্তাফিজের শিকার হয়ে। শেষ দিকে মার্কাস স্টয়নিস ১১ বলে অপরাজিত ১৭ ও অ্যালেক্স ক্যারি ৮ বলে ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।