স্টোকসের বিদায়ে খাদের কিনারে ইংল্যান্ড|151122|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৫ জুন, ২০১৯ ২২:৪৯
স্টোকসের বিদায়ে খাদের কিনারে ইংল্যান্ড
অনলাইন ডেস্ক

স্টোকসের বিদায়ে খাদের কিনারে ইংল্যান্ড

ছবি: টুইটার

অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়েছিল ইংল্যান্ড। মাত্র ৫৩ রান যোগ করতেই ৪ উইকেট হারায় দলটি। তবে বেন স্টোকসের ব্যাটে সেই চাপ কিছুটা কাটিয়ে উঠে তারা। স্টোকস ব্যক্তিগত ৮৯ রানে বিদায় নেওয়ায় এখন খাদের কিনারে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের খেলার পথ সহজ রাখতে জয়ের বিকল্প নেই। এমন সমীকরণ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামলেও লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে ইংল্যান্ড। জেসন বেহরেনডোর্ফ শুরুতে আঘাত হানলেন। এরপর জোড়া উইকেট তুলে নিলেন মিচেল স্টার্ক। একে একে সাজঘরে ফিরতে হলো ইংলিশদের তিন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে। জেমস ভিন্স ০, জো রুট ৮ ও ইয়ন মরগান ৪ রান করে ফিরে যান। শেষের দুজনকে ফিরিয়েছেন স্টার্ক। তাতে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারায় ইংলিশরা।

এরপর ফের আঘাত হানেন বেহরেনডোর্ফ। দলীয় ৫৩ রানে জনি বেয়ারস্টোকে (২৭) ফিরিয়ে দেন। আর জস বাটলারকে ফিরিয়ে স্টোকসের সঙ্গে ৭১ রানের জুটি ভেঙেছেন মার্কাস স্টয়নিস। তাতে ১২৪ রানে ৫ উইকেট পড়ে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের।

এরপর দলীয় ১৭৭ রানে ফিরেছেন স্টোকস। স্টার্কের দুর্দান্ত বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর মইন আলি ফিরে গেছেন ৬ রান করে। তাতে ১৮৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে ইংল্যান্ড।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ২৮৫ রান করে অস্ট্রেলিয়া। আসরে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া অ্যারন ফিঞ্চ ১০০ রান করেন। ওয়ার্নার খেলেছেন ৫৩ রানের ইনিংস। এ ছাড়া স্টিভ স্মিথ ৩৮ ও অ্যালেক্স ক্যারি অপরাজিত ৩৮ রান করেন।

ইংলিশদের পক্ষে সর্বাধিক ২ উইকেট নিয়েছেন ক্রিস উকস। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন জফরা আর্চার, মার্ক উড, বেন স্টোকস ও মইন আলি।

এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ হারে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্ট ১০। টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এ ম্যাচে জয় পেলে সেমির পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে তারা। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হারে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৮। তাদের সেমিফাইনালে খেলার পথটা অবশ্য সহজ নয়। এ ম্যাচে হারালে জটিল সমীকরণের মধ্যে পরতে হতে তাদের।

এদিকে বিশ্বকাপে ১৯৯২ সালের পর আর অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারেনি ইংল্যান্ড। সেবার ফাইনালে ওঠার পথে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছিল ইংলিশরা। এরপর ২০০৩, ২০০৭ ও ২০১৫ আসরে অজিদের কাছে হেরেছে ইংল্যান্ড।