সার্ভিসিংয়ে যেভাবে ঠকেন|154669|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৩ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০
সার্ভিসিংয়ে যেভাবে ঠকেন

সার্ভিসিংয়ে যেভাবে ঠকেন

সার্ভিসিং সেন্টারে ফোন, টিভি কিংবা ল্যাপটপ ঠিক করতে গিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েন। সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেলেও অনেক সময় অনেক রহস্য আপনাকে বলেন না পেশাদার ‘মেকার’।

বিভিন্ন প্রযুক্তি বিশ্লেষকের বরাত দিয়ে রিডার্স ডাইজেস্ট ওয়েবসাইট এমনই কিছু রহস্যের কথা প্রকাশ করেছে।

একটি পথই খোলা আছে : কিছু একটা ঠিক করতে গিয়ে প্রায়ই সার্ভিসম্যান অনেক সময় লাগান। এরপর হঠাৎ করে বলে বসেন, ‘এটি ঠিক করার একটি মাত্র উপায় আছে।’

ব্যাপারটি আসলে কিন্তু তা নয়। আরও অনেক পথ থাকলেও তিনি আপনাকে ভড়কে দিতে চান। তার কারণ যে উপায়টির কথা তিনি বলছেন, সেটিতে তার লাভ বেশি।

গুগলে সার্চ দিন : কোনো সমস্যা জটিল কিংবা সময়সাপেক্ষ মনে হলে প্রযুক্তিবিদ আপনাকে গুগলের সাহায্য নিতে বলতে পারেন। এটি আসলে তার ‘ফাঁকি’ দেওয়ার কৌশল। গুগলে অধিকাংশ সমস্যার সমাধান পাওয়া গেলেও আপনি বুঝবেন না। ঘুরেফিরে আবার সেই তার কাছেই আসতে হবে। দিতে হবে বাড়তি অর্থ।

যখন আপনি অবাধ্য হন : অনেক ব্যবহারকারী আছেন ‘বেশি বুঝতে’ গিয়ে নিজের ঝামেলা ডেকে আনেন। টেকনিশিয়ান আপনাকে হয়তো বললেন, ‘ওই সাইটে এরপর থেকে ক্লিক করবেন না। তাহলে ভাইরাসে আক্রান্ত হবে আপনার ফোন।’

দেখা গেল, পরের দিন আপনি সেটি করলেন। আবার তার কাছে যেতে হলো। তখন তিনি আপনাকে আর সাহায্য করবেন না।

পুরনো পণ্য : অনেক পুরনো পণ্য সারাতে গেলে প্রযুক্তিবিদ আপনাকে বলতে পারেন, এত পুরনো কম্পিউটার ঠিক হবে না। আপনি বরং আমার কাছে বিক্রি করে দেন। আমি এর পার্টস কাজে লাগাব।

এই ফাঁদে পা দিয়ে বিক্রি করে দেবেন না। আরও কয়েকজনের পরামর্শ নিয়ে দেখুন। আসলেই ঠিক হবে কি না, সেটি নিশ্চিত হোন।

তাড়াহুড়ায় বিপদ : সেন্টারে গিয়ে ব্যস্ততা দেখিয়ে অনেকে বিপদে পড়েন। আপনার কাজটি আপনার কাছে যতটা জরুরি, অন্যের কাছে ততটা নয়। তাই তাড়াহুড়া করে যেমনÑ তেমনভাবে পণ্য সারাবেন না। টেকনিশিয়ানকে সময় দিন।