এখন মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে চান শম্ভুপুত্র!|156212|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০
এখন মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে চান শম্ভুপুত্র!
বরগুনা প্রতিনিধি

এখন মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে চান শম্ভুপুত্র!

রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে প্রয়োজন হলে আইনি সহায়তা দেবেন বলে জানিয়েছেন বরগুনা-১ আসনের সাংসদ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে আইনজীবী সুনাম দেবনাথ। গতকাল শুক্রবার রিফাত হত্যায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য মিন্নিকে বরগুনার আদালতে আনার পর সেখানে মিন্নির বাবা শম্ভু পরিবারের বিরুদ্ধে তার মেয়েকে ফাঁসানোর অভিযোগ তোলেন। এরই প্রতিক্রিয়ায় দেশ রূপান্তরকে তিনি একথা জানান। যদিও এর আগে ‘বরগুনার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে মিন্নিকে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি  জানানো হয়। যে কর্মসূচিতে বক্তব্য রেখেছিলেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সুনাম দেবনাথ। এ ছাড়া রিফাত হত্যার পরপরই তার খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দানকারী হিসেবে যে দুজনের নাম আলোচনায় এসেছিল তাদের একজনও সুনাম। অবশ্য তিনি বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছেন। 

গতকাল মিন্নিকে আদালতে নেওয়ার পর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তার বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর সেখানে যান। ওই সময় তিনি চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘আমার মেয়ে অসুস্থ। গতকাল রাতে একজন পুলিশ সদস্য আমার বাসায় গিয়ে মিন্নির প্রেসক্রিপশন নিয়ে এসেছে। আর আজ জোরজবরদস্তি ও নির্যাতন করে আমার মেয়ের কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।’

মোজাম্মেল আরও বলেন, ‘মেয়ে আমার জীবনবাজি রেখে তার স্বামীকে রক্ষা করতে গেছে। সারা দেশের লোক তা দেখেছে। এরপরও একটি প্রভাবশালী মহল আমার মেয়েকে ফাঁসিয়ে খুনিদের আড়াল করতে চাইছে। এ সবকিছুই শম্ভু বাবু (স্থানীয় সাংসদ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু) আর তার ছেলে সুনাম দেবনাথের খেলা।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইনজীবী সুনাম বলেন, ‘মিন্নির বাবা কী বলছে, আসলে আমি সেটা জানি না। তবে এ ধরনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অমূলক। এ বিষয়ে আমি কিংবা আমার পরিবারকে পেঁচিয়ে মন্তব্য করা একজন মূর্খ লোকের কাজ। তবে আমার যেটা মনে হচ্ছে, আমাদের বিরোধী চক্র দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’

মিন্নির বাবা দাবি করেছেন সুনামের ভয়ে তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াননিÑ এমন প্রশ্নের জবাবে সুনাম বলেন, ‘কোনো আইনজীবী যদি এ ধরনের কথা বলতে পারে, তা হলে আমি বরগুনা ছেড়ে চলে যাব। যদি তার আইনি সহায়তার প্রয়োজন হয়, তা হলে আমিও একজন আইনজীবী। আমি তাকে আইনি সহায়তা দেব।’