অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল নৌ-পরিবহন খাত|157200|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০১৯ ১৬:০৩
অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল নৌ-পরিবহন খাত
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল নৌ-পরিবহন খাত

নিয়োগপত্র, ভাতা, চাঁদাবাজি বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে নৌযান শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে দেশের সব নৌপথ। নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের এই ১১ দফা দাবির মধ্যে মালিকপক্ষের কাছে সাত দফা এবং সরকারের কাছে চার দফা।

বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকে বুধবার ভোর থেকে এই ধর্মঘটের কারণে সারা দেশে লাইটার জাহাজ (ছোট আকারের পণ্যবাহী জাহাজ) চলাচল বন্ধ হওয়ায় বহির্নোঙরে মাদার ভেসেল (বড় আকারের জাহাজ) থেকে পণ্য খালাসও বন্ধ হয়ে গেছে।

অন্যদিকে, মধ্যরাতের পর থেকে সারা দেশে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলও বন্ধ হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানীসহ দক্ষিণ জনপদের বিভিন্ন জেলার নৌপথের যাত্রীরা।

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, “দেশের যেখানে যে নৌযান আছে (নদীতে বা সাগরে) সেটাকে সেখানেই অবস্থান করতে বলা হয়েছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে।”

নৌযান শ্রমিকদের দাবিগুলো হলো- ‘প্রত্যেক শ্রমিককে মালিকের পক্ষ থেকে পরিচয়পত্র, নিয়োগপত্র ও সার্ভিস বুক; সামাজিক নিরাপত্তার জন্য জীবন বিমা; সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রভিডেন্ট ফান্ড; খোরাকি ভাতা; কর্মকালীন মৃত্যু হলে মৃত ব্যক্তির পরিবারকে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে; নৌপথে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি বন্ধ; ভারতগামী জাহাজের ল্যান্ডিং পাস; সমুদ্র ভাতা; মাস্টার ড্রাইভারদের ইনচার্জ ভাতা; মাস্টার ড্রাইভার পরীক্ষার অনিয়ম দূর করা; মেরিন কোর্টের হয়রানি বন্ধ করা।

বিআইডব্লিউটিএ-এর যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবির বলেন, “নৌযান শ্রমিকরা ১১দফা দাবিতে সারাদেশে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে। ফলে গত রাত ১২টার পর ঢাকা সদরঘাট থেকে কোনো লঞ্চ ছাড়ছে না।”

এদিকে, নৌ ধর্মঘটে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যেন না ঘটে সে জন্য বিভিন্ন এলাকায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।