সব পলিথিন কারখানা বন্ধ করা সম্ভব নয় : পরিবেশমন্ত্রী|158839|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১ আগস্ট, ২০১৯ ০১:০২
সব পলিথিন কারখানা বন্ধ করা সম্ভব নয় : পরিবেশমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

সব পলিথিন কারখানা বন্ধ করা সম্ভব নয় : পরিবেশমন্ত্রী

কিছু কিছু ক্ষেত্রে পলিথিন ব্যবহারের সুযোগ থাকায় সব পলিথিন কারখানা বন্ধ করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, সব পলিথিন কারখানা বন্ধ করা সম্ভব নয়। আমরা পলিথিন নিষিদ্ধ করেছি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পলিথিন ব্যবহারের সুযোগ আছে। সরকারের নীতিমালার আওতায় যেসব পলিথিন নিষিদ্ধ, সেগুলোর উৎপাদন বন্ধ করে দেব। তবে যেগুলো নিষিদ্ধ নয়, সেগুলো আমরা বন্ধ করতে চাই না। পাট দিয়ে আমরা বিকল্প ব্যাগ তৈরি করছি। সে বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। শাস্তি দিয়ে পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না।

তিনি জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও জোরদার করতে আটটি বিভাগীয় শহর এবং ৩৬টি জেলায় কার্যালয় স্থাপন ও প্রয়োজনীয় জনবল দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব জেলায় অধিদপ্তরের কার্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে গত ছয় মাসে অধিদপ্তরের ১২২টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১২৬ টন পলিথিন জব্দ এবং ৪৪ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

সুন্দরবনের কাছে বাগেরহাটের রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন নিয়ে তিনি বলেন, রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কিছু এখন পর্যন্ত সেখানে হয়নি। বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে পরিবেশ ও সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর কিছু হবে না। সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় রাখতে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে সেগুলো আমরা বাস্তবায়নে সক্ষম।

যারা বনের জমি দখল করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বনের জমি উদ্ধারের বিষয়টি প্রক্রিয়ায় আছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। শিগগিরই জমি উদ্ধার করতে পারব বলে আশা করি।

পরিবেশ সুরক্ষায় আগামী বছর সারা দেশে এক কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বায়ুদূষণ রোধে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ঢাকাসহ বড় বড় জেলা শহরে বায়ুর মান নিরূপণের জন্য ১৬টি ক্যাম্প স্থাপন করেছি। আমাদের ৫৮ ভাগ বায়ুদূষণ হয় ইটভাটার জন্য। ইটভাটার জন্য আইন পাস করা হয়েছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে হাইড্রোলিক হর্ন আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এখন যারা হর্ন বাজায়, সেটি তাদের মানসিকতার বিষয়। বাইরের দেশে পেছনে কেউ হর্ন বাজালে অন্যরা রাগান্বিত হয়। মানুষ যদি সচেতন হয়, তাহলে শব্দদূষণ বন্ধ হবে। যে হর্ন বাজায় সেও বুঝতে পারছে না এটি কত ক্ষতিকর।