কোরবানি সামনে ব্যস্ত চন্দনাইশের কামার পাড়া|160101|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৬ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:১৪
কোরবানি সামনে ব্যস্ত চন্দনাইশের কামার পাড়া
মো. নুরুল আলম, চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

কোরবানি সামনে ব্যস্ত চন্দনাইশের কামার পাড়া

ছবি: দেশ রূপান্তর

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদ-উল-আজহা। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই কোরবানির ঈদ। এই ঈদের অন্যতম কাজ হচ্ছে পশু জবাই করা। ঈদ-উল আজহাকে সামনে রেখে পশু জবাইয়ের সরঞ্জাম প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চন্দনাইশ উপজেলার কামার শিল্পের কারিগররা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, চন্দনাইশের কালীহাট দামাইরহাট, দোহাজারী, পৌরসভা জোয়ারা, কাঞ্চনাবাদ, বাদামতল, বৈলতলী ইউনুস মার্কেট, ধোপাছড়ি বাজার, দেওয়ানহাট, খানহাট, সাতবাড়িয়া  বাগিচাহাটসহ  উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারগুলোর সব কামারপল্লী এখন ব্যস্ত সময় পার করছে।

দেশি চাপাতিগুলো কেজি হিসেবে বিক্রি হয়ে থাকে। প্রতি কেজি ওজনের চাপাতির দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এছাড়া বিদেশি চাপাতির দাম ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০শত টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়ীরা জানান, সারাবছর বেচাকেনা কিছুটা কম থাকে। কোনোরকম দিন যায়। এই সময়ের জন্য সারা বছর অপেক্ষায় থাকি। কোরবানির ঈদের আগে এক সপ্তাহ ভালো বেচাকেনা হয়। ওই সময় দামও ভালো পাওয়া যায়। লোহার তৈরি ছোট ছুরি ৫০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পশু জবাইয়ের ছুরি মিলছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়। বিভিন্ন সাইজের চাপাতি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। দা-বঁটি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকায়।

ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখনো পুরোদমে বিক্রি শুরু হয়নি। ঈদের গরুর বাজার এখনো ভালোভাবে শুরু না হওয়াকেই কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। আগে মানুষ গরু কিনবে পরে ছুরি-চাপাতিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম কিনবে। তবে কবে থেকে পুরোদমে বেচা কেনা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তারা জানান, ঈদের এক সপ্তাহ আগে থেকে পুরোদমে বেচাকেনা শুরু হয়।