‘ওই প্রকৌশলী দেখি এই প্রকল্পেও, তাহলে কার ভুলে তার শাস্তি হয়েছিল?’|162439|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:৫৯
‘ওই প্রকৌশলী দেখি এই প্রকল্পেও, তাহলে কার ভুলে তার শাস্তি হয়েছিল?’
অনলাইন ডেস্ক

‘ওই প্রকৌশলী দেখি এই প্রকল্পেও, তাহলে কার ভুলে তার শাস্তি হয়েছিল?’

কোনো কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নের সময় ভুল অ্যাসেসমেন্টে হলে দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদিকদের বলেন, ‘মেঘনা নদীর ভাঙ্গন হতে ভোলা জেলার চরফ্যাশন পৌরশহর সংরক্ষণ’ প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাব অনুমোদন দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এর আগে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পে প্রকৌশলীর গাফিলতির কারণে ভুল অ্যাসেসমেন্ট হয়। এতে অনেক টাকা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। আবার ওই প্রকৌশলী দেখি এই প্রকল্পের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। তাহলে তখন কার ভুলের জন্য তাকে কী শাস্তি দেওয়া হয়েছে?

প্রধানমন্ত্রী এসময় পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং সচিবকে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এমএ মান্নান জানান, প্রধানমন্ত্রী কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুটি কার্গো বিমান কেনার বিষয়ে চিন্তা করতে বলেছেন বাংলাদেশ বিমানকে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন হিমায়িত মাছ ও কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। অন্য কোম্পানির বিমান ভাড়া নিয়ে রপ্তানি পণ্য পাঠাতে হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের ভাড়া পরিশোধে অনেক টাকা চলে যাচ্ছে। আমরা যদি দু’টি কার্গো বিমান কিনতে পারি, তাহলে অনেক কম খরচে তারা রপ্তানি করতে পারবে। তাই বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার।

বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ক্রমে দেশের সব বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচ দিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেন। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে সব বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচে নিতে হবে। এছাড়া নতুন করে আর কোন সুইচ গেট নির্মাণ না করারও নির্দেশ দেন তিনি।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন স্লুইচ গেটে পানি আটকে থাকে। মরিচা পড়ে দ্রুত নষ্টও হয়ে যায়। তাই ভবিষ্যতে আর কোনো স্লুইচ গেট নির্মাণ করার দরকার নেই। একইসঙ্গে তিনি বৃষ্টির পানিতে ভাঙ্গন রোধে পাহাড়ি এলাকায় সড়কের উভয় পাশে চিকন বাঁশ গাছ রোপনের নির্দেশ দেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী একনেক সভায় বৃহৎ সরকারি ভবনগুলোতে ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপনের নির্দেশ দেন।