যুবলীগের সংঘর্ষে কর্মীকে কুপিয়ে খুন|163076|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৩ আগস্ট, ২০১৯ ২১:১২
যুবলীগের সংঘর্ষে কর্মীকে কুপিয়ে খুন
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

যুবলীগের সংঘর্ষে কর্মীকে কুপিয়ে খুন

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার শিল্পনগরী দর্শনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগকর্মী নাইমুল ইসলাম পল্টু (৩৫) নিহত হয়েছেন।

তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এতে আহত হন আরো একজন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে দর্শনা রেলগেটে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহত নাইমুল ইসলাম পল্টু দামুড়হুদা উপজেলার ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রউফের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় যুবলীগের দুই পক্ষে নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরে শুক্রবার বিকালে মান্নান-তোতা-ছোট ও হেলাল-মঞ্জুর পক্ষের সমর্থকরা দর্শনা রেলগেটের কাছে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে মান্নান-তোতা-ছোট পক্ষের নেতাকর্মীদের হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন নাইমুল ইসলাম পল্টু। গুরুতর আহত হন মঞ্জুর আহম্মেদ। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তবে আহত যুবলীগ কর্মি মঞ্জুর আহম্মেদ দাবি করেছেন, পরিকল্পিতভাবে ধারাল অস্ত্র নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান ছোট, দর্শনা পৌর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আসলাম উদ্দীন তোতা ও সহ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে ছয়-সাতজন জন আমাদের উপর হামলা করে। এ সময় যুবলীগকর্মী পল্টুকে উপর্যপুরী কুপিয়ে হত্যা করা হয়। আমাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।

তবে দর্শনার একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করে, মাদকের ব্যবসা নিয়ে দু’পক্ষে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে তিন মাস আগে দু’পক্ষে গোলাগুলি হয়।

দামুড়হুদা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত)জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিজেদের কোন্দলে যুবলীগকর্মী পল্টু খুন হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছি। আমরা হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে দর্শনার বেশ কয়েকটি স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার ও যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেন, দর্শনায় নিজেদের মধ্যে হামলায় নিহত নাইমুল ইসলাম পল্টু ও হামলাকারীরা কেউই যুবলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে তারা যুবলীগের পদ-পদবী ব্যবহার করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন।