এক দশকে ৩৭১.৩৩ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মিত হয়েছে: রেলমন্ত্রী|166732|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২২:৩৫
এক দশকে ৩৭১.৩৩ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মিত হয়েছে: রেলমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক দশকে ৩৭১.৩৩ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মিত হয়েছে: রেলমন্ত্রী

গত এক দশকে ৩৭১.৩৩ কিলোমিটার নতুন রেলপথ নির্মাণ ও ১১৫২.৪৮ কিলোমিটার রেলপথ পুনর্বাসন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি আরও জানান, নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সোমবার সংসদে প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।

 বিএনপির সংসদ সদস্য মো. জাহিদুর রহমানের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৮ হাজার ৬১৬ কোটি ৩৭ লাখ ব্যয়ে ৮১টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ৭৭টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে। এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হওয়ায় রেলপথের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি জানান, বর্তমানে বিদ্যমান রেল রুটের পরিমাণ ২৯৫৫.৫৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে মিটারগেজ রেলপথের পরিমাণ ১৮৪৬.০৯ কিলোমিটার, ব্রডগেজ রেলপথের পরিমাণ ৬৭৬.৬৬ কিলোমিটার এবং ডুয়েলগেজ রেলপথের পরিমাণ ৪৩২.৭৮ কিলোমিটার। ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের এডিপিতে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৩৩টি বিনিয়োগ প্রকল্প এবং ৩টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প অর্থাৎ মোট ৩৬টি উন্নয়ন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গত এক দশকে রেলওয়েকে ঢেলে সাজাতে এবং একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বহু কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ রেলওয়ে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম সেকশনে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন (ওভারহেড ক্যাটিনারি ও সাব-স্টেশন) প্রবর্তনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রস্তাব রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২০১৫ সালের ৮ ডিসেম্বর পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। ওই সমীক্ষা প্রকল্পের ওপর পরিকল্পনা কমিশনে ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিইসি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৮১২ কোটি ৪০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে সমীক্ষা প্রস্তাব পুনর্গঠন করে ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ ফের পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়।