বিএমডব্লিউ-মার্সিডিজ বেঞ্জ সংযোজন হবে বাংলাদেশে|166804|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
বিএমডব্লিউ-মার্সিডিজ বেঞ্জ সংযোজন হবে বাংলাদেশে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএমডব্লিউ-মার্সিডিজ বেঞ্জ সংযোজন হবে বাংলাদেশে

বিশ্বখ্যাত গাড়ির ব্র্যান্ড বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ বাংলাদেশেই সংযোজন করবে জার্মানি। এ দুটি ব্র্যান্ডের গাড়ির কিছু যন্ত্রাংশ বাংলাদেশে উৎপাদন করা হবে। বাকি যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ আমদানির পর বাংলাদেশে সংযোজন করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোল্টজ।

গতকাল সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এ প্রস্তাব দেন জার্মান রাষ্ট্রদূত। এ সময় জার্মানির উচ্চপর্যায়ের ৫ সদস্যের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশে বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ সংযোজন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে বলে অর্থমন্ত্রীকে জানান জার্মান রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়ি বাংলাদেশে তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে জার্মানি। থাইল্যান্ডে যেভাবে প্রগতিশীল উৎপাদন ব্যবস্থার মাধ্যমে জার্মানি এসব ব্র্যান্ডের গাড়ি সংযোজন করে, বাংলাদেশেও একইভাবে করার আগ্রহ তাদের। অর্থাৎ বিএমডব্লিউ ও মার্সিডিজ বেঞ্জের কিছু যন্ত্রাংশ বাংলাদেশে তৈরি করবে এবং কিছু যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে নিয়ে আসবে। পরে সেগুলো সংযোজন করে বাংলাদেশে গাড়ি তৈরি হবে।  বিষয়টি নিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন এবং সেখানে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

তিনি বলেন, ‘এটি খুবই উত্তম প্রস্তাব। বাংলাদেশে সংযোজিত হলে আমাদেরকে আর এসব ব্যয়বহুল গাড়ি আমদানি করতে হবে না।’

মুস্তফা কামাল বলেন, জার্মানি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পরও যাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বিদ্যমান জিএসপি সুবিধা বাতিল হয়ে না যায়, সে বিষয়ে আমাদের সহায়তা করবে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই মুহূর্তে তারা বাংলাদেশের পাট শিল্পে বড় আকারে বিনিয়োগে আগ্রহী। আর মার্সিডিজের ভেতরে পাটের অনেক ব্যবহার রয়েছে। জার্মানির যত গাড়ি আছে, প্রায় সব গাড়ির ভেতরে পাটের ব্যবহার হয়ে থাকে।

অ্যাসোসিয়েশন অব জার্মান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে সঙ্গে নিয়ে জার্মান এশিয়া-প্যাসিফিক বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন দেশটির ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের এ সফরের আয়োজন করেছে। এই দলে বস্ত্র, আসবাবপত্র, জাহাজ নির্মাণ থেকে শুরু করে পরিবেশ-প্রযুক্তি, ব্যাংকিং ও পর্যটন খাতের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।