রেলের জমি যে কোন মূল্যে উদ্ধার করা হবে: রেলমন্ত্রী |167629|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ২০:৫৪
রেলের জমি যে কোন মূল্যে উদ্ধার করা হবে: রেলমন্ত্রী
নীলফামারী প্রতিনিধি

রেলের জমি যে কোন মূল্যে উদ্ধার করা হবে: রেলমন্ত্রী

ছবি: দেশ রূপান্তর

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন এমপি বলেছেন, ‘রেলের উন্নয়নের স্বার্থে সারা দেশে যে সকল স্থানে রেলওয়ের জমি দখল হয়েছে তা উচ্ছেদ করা হবে। যারা  রেলের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে ভুয়া মালিক  সেজে বাণিজ্য করছেন তাদের যে কোন মূল্যে আমরা উচ্ছেদ করবই। অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে রেলের মালিকানা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধ পরিকর। ’

শনিবার বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে অফিসার্স ক্লাব মাঠে  বাংলাদেশ রেলওয়ে আয়োজিত ‘রেলপথ, সেতু, সিগন্যালিং ও রোলিং স্টক রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনা বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সৈয়দপুরে রেলওয়ের অনেক জমি আছে কিন্তু রেলের কাজে আসছে না। আবার অনেক জমি আছে যেগুলো প্রয়োজনীয় । সেগুলো অনেকে জবরদখল করে আছেন। অনেকে জোর করে অবৈধভাবে দখল করে মার্কেট তৈরী করে ভাড়া উঠিয়ে খাচ্ছেন।  সে জায়গা থেকে রেল তো অর্থ  পেতে পারে। রেলের উন্নয়নের জন্য যেসব জায়গা প্রয়োজন সেগুলো অবশ্যই ছেড়ে দিতে হবে। আমরা জমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। যারা ভুয়া মালিক সেজে দোকানের ভাড়া উঠিয়ে নিচ্ছেন তাদের আমরা উচ্ছেদ করতে চাই। আমরা দোকানদারদের বলবো আমরা মালিক তোমরা আমাদেরকে ভাড়া দাও।

তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সরকারগুলো রেল সেক্টরকে শুধু অবজ্ঞাই করেনি, রেলের উন্নয়নে কোন দৃষ্টি দেয়নি। একসময় দেশের সর্ব বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি সরগম ছিল। ১০ হাজারের বেশী লোক কাজ করতো। নতুন নতুন কোচ, ওয়াগন ও  বগি মেরামতের কাজ হতো এই কারখানায়। বিগত সরকারগুলোর আমলে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে তিনি রেলওয়ের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করেছেন। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থাকা রেলওয়েকে উন্নত করতে একের পর এক প্রকল্প গ্রহণ করে রেলকে আবার সচল করে তুলেছেন। সারা দেশের সাথে রেল পথে যোগাযোগের জন্য প্রত্যেক জেলায় নতুন নতুন রেলপথ স্থাপন করা হচ্ছে।

এ সময় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান ও পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. হারুন -অর -রশীদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. নূরুজ্জামান, নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরীসহ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।