পুলিশ আইন পরিবর্তন করার সময় এসেছে|171080|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ১৫:৫১
পুলিশ আইন পরিবর্তন করার সময় এসেছে

পুলিশ আইন পরিবর্তন করার সময় এসেছে

কাজী রিয়াজুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। তিনি প্রায় ৩০ বছর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসকসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সচিব হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি ন্যাশনাল কাউন্সিল অব ইউনেস্কো, বাংলাদেশ-এর সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সরকারি উদ্যোগে দারিদ্র্য বিমোচনে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা ও জাতীয় পল্লী উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের লিগ্যাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক পদে চার বছরের বেশি দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রায় ছয় বছর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের ২ আগস্ট জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিযুক্ত হন এবং ২০১৯ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন কাজী রিয়াজুল হক। দেশের সাম্প্রতিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তর সম্পাদকীয় বিভাগের অনিন্দ্য আরিফ

দেশ রূপান্তর : আপনি তিন বছর মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত তিন বছরকে কীভাবে দেখছেন?
কাজী রিয়াজুল হক : আমরা তিন বছর ধরে দেশের জনগণের মানবাধিকার রক্ষার চেষ্টা করেছি। মানবাধিকার বলতে বোঝায় একটা মানুষ জন্মগতভাবে যেসব অধিকার নিয়ে পৃথিবীতে আসে। মানুষের বিভিন্ন ধরনের চাহিদা থাকে, যেমন : খাদ্যের চাহিদা, বাসস্থানের চাহিদা, শিক্ষার চাহিদা, স্বাধীনভাবে চলাফেরার চাহিদা, জীবনের নিরাপত্তার চাহিদা এবং বস্তুনিষ্ঠভাবে কথা বলার অধিকারের চাহিদা থাকে। এসব চাহিদা পূরণ হচ্ছে কি না সেটাই মানবাধিকারের বিষয়। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা বস্তুনিষ্ঠভাবে সংবাদ পরিবেশন করার অধিকার পাচ্ছে কি না, সেটাও মানবাধিকারের বিষয়। এই সর্বজনীন অধিকারগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের ১৯৪৮ সালের ঘোষণা রয়েছে। এই ঘোষণার দিনটিকে আমরা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করি। এই ঘোষণায় ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। আবার, ১৯৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে যে সংবিধান রচিত হয়েছিল, সেখানেও এই সর্বজনীন মানবাধিকারের বিষয়গুলো বলা আছে। সেইসব বিবেচনায় আমি যে চেয়ারম্যান হিসেবে তিন বছর ছিলাম এবং সদস্য হিসেবে ছয় বছর ছিলাম, মোট নয় বছরে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো।

এটা বিবেচনা করতে হবে সারা বিশ্বের সঙ্গে তুলনা করে। বিশ্বের অনেক জায়গাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। নির্যাতন হচ্ছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভালোই আছে। আমাদের মানবাধিকার বিষয়ে অনেকগুলো কনভেনশন রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক বিষয়ে কনভেনশন। আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও আমরা এগিয়েছি। সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়ে অগ্রসরতা দৃশ্যমান। বয়স্কভাতা চালু হয়েছে। ছাত্রদের উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে এবং মিড-ডে মিল চালু করা হয়েছে। প্রচুর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ছে। প্রবৃদ্ধিও বেড়েছে। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছেছি। নারীর ক্ষমতায়নের দিক থেকে আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে অগ্রসর হয়েছি। আমাদের এই অগ্রগতি সারা বিশ্বেই প্রশংসিত হচ্ছে। কিন্তু নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি ঘটলেও কিছু কার্যাবলি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। যেমন, মানুষ নিখোঁজ হচ্ছে এবং গুম হচ্ছে। মানুষের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র তার এই অধিকার নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের তিনটা অঙ্গ রয়েছে : শাসন বিভাগ, বিচার বিভাগ এবং সংসদ। এইগুলো মিলেই তো রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রই এই অধিকার নিশ্চিত করবে। সেগুলো নিয়ে অবশ্য মানুষের মনে প্রশ্ন থেকেই গেছে।

দেশ রূপান্তর : বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময় দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?
কাজী রিয়াজুল হক : মানবাধিকার বিষয়ে জাতিসংঘের ৯টি কোর কনভেনশস ইন্সট্রুমেন্ট রয়েছে। যার দুটি আমি আগে আলোচনা করলাম। একটি হলো, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকার। আরেকটি হলো- নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকার। এর বাইরে আরও কিছু কনভেনশনাল রাইটস রয়েছে। যেমন, সিআরসি বা কনভেনশনাল রাইটস ফর চিলড্রেন রয়েছে। নারীর প্রতি সকল বৈষম্য বিলোপের লক্ষ্যে ‘সিডও সনদ’ বা ‘কনভেনশন অন দ্য এলিমিনেশন অব ডিসক্রিমিনেশন এগেইনস্ট উইমেন’ আছে। ‘ক্যাট’ বা ‘কনভেনশন অ্যাগেইনস্ট টর্চার’ এবং ‘সিআরপিডি’ বা ‘কনভেনশন অন দ্য রাইটস অফ পারসনস উইথ ডিজাবিলিটি’ রয়েছে। গণমাধ্যম বা বিদেশি সংস্থাগুলো যখন কথা বলে, তখন যেকোনো একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে বলে। প্রকৃত অর্থে, মানবাধিকারের ব্যাপ্তি অনেক বেশি। এটা মানুষের জন্মগত অধিকার। ভালো জিনিসগুলো উল্লেখ করা হলেও বেশি উল্লেখ করা হয় উদ্বেগগুলোকে। মানবাধিকার কমিশন সেই বেশি উল্লেখ হওয়া উদ্বেগগুলোকে প্রাথমিক তদন্ত করে প্রাথমিক সত্যতা নিরূপণের কাজ করে থাকে। প্রাথমিক তদন্তই বলব, কেননা আমাদের তো অত লজিস্টিকস নেই। প্রশিক্ষিত লোক নেই, যানবাহন নেই, ল্যাবরেটরি নেই। তারপরেও যেসব বিষয়ে দেশি বা বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করে, সেসব বিষয়ে আমরা বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন তৈরি করি এবং যাদের সন্দেহজনক মনে হয় তাদের বিষয়ে সরকারকে বলি। আমাদের তো নিজস্ব কোনো হ্যান্ডস নেই, যেটি দিয়ে আমরা তদন্ত করব। এটা দুর্নীতি দমন কমিশনের কিছুটা আছে। এই এখতিয়ার আমাদের আইনেও নেই। আমাদের আইনে যতটুকু রয়েছে, সে অনুযায়ী প্রাথমিক সত্যতা পেলে আমরা সরকারকে অবহিত করি। আমরা যখন যে ঘটনা ঘটেছে সে বিষয়ে সরকারকে জানিয়েছি। গাইডলাইন দিয়েছি।

সবাই তো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কথা বলে। এখন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোন কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে? তা তো মাদক পাচার করাকে কেন্দ্র করে ঘটে, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে। আমাদের কাজ হলো, যে উদ্দেশ্যের কথা বলে তারা গিয়েছিল, সেই উদ্দেশ্যে তারা প্রকৃতই গিয়েছিল কি না, সেটা খুঁজে বের করা। এখন মাদক তো উদ্ধার করতেই হবে। মাদক কারবারি কিংবা মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে তো অ্যাকশন নিতেই হবে। কেননা, মাদক আমাদের ভয়াবহ শত্রু। অবৈধ অস্ত্র তো উদ্ধার করতে হবে। এখন তদন্ত করতে হবে, যে মাদকের নাম করে বা অবৈধ অস্ত্রের নাম করে কাউকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হচ্ছে কি না।

সেক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে উদ্বেগ থাকে, সেগুলো তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা সুপারিশ করি। কেননা, তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা পুলিশেরই রয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন আইন রয়েছে। যেমন, ৫৪ ধারা রয়েছে। অবশ্য আমি বলব এসব আইন পরিবর্তন করার সময় এসেছে। যেমন পুলিশ অ্যাক্টের মতো আইন রয়েছে যেটা ১৮৬১ সালে করা। অর্থাৎ ব্রিটিশ শাসকদের উত্তরাধিকার আমরা বহন করছি। তারা শোষণ করার জন্যই এ আইনগুলো করেছিল। আমরা সেগুলোই অনুসরণ করছি। এতদিনেও তা পরিবর্তন করা যায়নি। পার্শ¦বর্তী দেশ ভারতে অবশ্য কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। এই আইনগুলো পরিবর্তন করার সময় এসেছে। যেমন ৫৪ ধারা। আবার ১৬৪ ধারা রয়েছে। ১৬৪ ধারায় তো জানার উপায় নেই কীভাবে স্বীকারোক্তি নেওয়া হচ্ছে। অবশ্য আত্মরক্ষার অধিকার পুলিশের রয়েছে। আবার যার কাছে বৈধ অস্ত্র আছে, সেও নিজের জীবন রক্ষার জন্য তা ব্যবহার করতে পারে। এখন পুলিশ হেফাজতে কীভাবে আসামির সঙ্গে ব্যবহার করা হবে, সেজন্য কিছু টুলসের পাশাপাশি কিছু রুলসের প্রয়োজন আছে।

আশার কথা হলো, এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের কিছু নির্দেশনা আছে। ১৯৭২ এর সংবিধানেও রয়েছে যে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না। গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়-পরিজনদের দেখা করার সুযোগ দিতে হবে। আগে এই সব নির্দেশনা প্রতিপালিত হতো না, কিন্তু এখন অনেকটা হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা পৃথিবীর অনেক দেশেই হচ্ছে। এমনকি যারা মানবাধিকারের বিষয়ে সবচেয়ে সরব তাদের দেশেও হচ্ছে। তবে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কোনোমতেই কাম্য নয়। কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গুম করে ফেলাও অগ্রহণযোগ্য।

দেশ রূপান্তর : অভিযোগ আছে, দেশের মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। ফলে মানুষের ভোটদানের আগ্রহ হ্রাস পাচ্ছে। আপনি কি বিষয়টিকে সঠিক মনে করেন?
কাজী রিয়াজুল হক : ভোটাধিকার অবশ্যই মানবাধিকার। তবে, দেশে এই ভোটাধিকার প্রদানে বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনা আগে ঘটেছে। কিন্তু ২০০৮ সালের পর থেকে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেই সব নির্বাচনে জনগণ ভোট প্রয়োগ করতে গিয়ে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য বাধার সম্মুখীন হয়নি। ২০০৮ সালে ৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। এবারের নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তা নিশ্চিত হয়েছে। এজন্য প্রশাসন অত্যন্ত গুরত্ব সহকারে কাজ করেছে। পাশাপাশি সিভিল সোসাইটিও বড় ভূমিকা রেখেছে। আমি নিজে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখেছি, ৮৫ বছরের একজন নির্দলীয় সাবেক সরকারি কর্মকর্তা বনানীতে ভোট দিতে গিয়েছেন।

দেশ রূপান্তর : এবারের ‘গুম প্রতিরোধ দিবসে’ প্রকাশিত মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে, গত এক দশকে দেশে ২০৮৮ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। গত বছরই নিহত ৪৬৫ জন। আপনি কীভাবে দেখছেন?
কাজী রিয়াজুল হক : মানুষ যখন এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়, তখন পুলিশের ভাষায় একে ক্রসফায়ার বলে। আর সিভিল সোসাইটির লোকেরা একে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ বলে। যখন এই ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটে, তখন এটা বৈধ না অবৈধ সেটা বিবেচ্য বিষয়। সাধারণভাবে, এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের বৈধতা থাকে না। কিন্তু এক্ষেত্রে আমাদের সংবিধান রয়েছে, ফৌজদারি বিধি আছে, পুলিশ অ্যাক্ট এবং পিআরবি বা পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল আছে। এখন আমাদের দেখতে হবে, পুলিশ এই সব আইনের আলোকে এই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটিয়েছে কি না। সেক্ষেত্রে যদি পুলিশ এই আইনের বাত্যয় ঘটিয়ে থাকে, তবে সে অবশ্যই অপরাধী। তখন সে যেই হোক না কেন, তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আবার অনেকে ব্যক্তিগত কিংবা পারিবারিক অর্ন্তদ্বন্দ্বের কারণে গুম বা নিখোজ হতে পারে। তবে এই ধরনের কাজ পুলিশ বা অন্য কেউ করুক না কেন, সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। সেক্ষেত্রে এই ধরনের প্রশ্ন যখন দেখা গেছে, তখন আমরা মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেছি। যখন সংবাদপত্রে এ সংক্রান্ত খবর এসেছে, তখন আমরা সে বিষয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছি। সরকার যেন এই বিষয়ে সুপারিশের আলোকে গাইডলাইন নিতে পারে, উদ্যোগ নিতে পারে, আইন তৈরি করতে পারে সে চেষ্টা করেছি। আইন হিসেবে নিতে পারলে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সুবিধা হয়। তাই যখনই এ ধরনের প্রশ্নবিদ্ধ ঘটনা ঘটেছে তখনই মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে আমরা সরকারের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করেছি।