আমিও এক রাতে সব হারিয়েছিলাম: আবরারের মাকে প্রধানমন্ত্রী|174010|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:০৬
আমিও এক রাতে সব হারিয়েছিলাম: আবরারের মাকে প্রধানমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

আমিও এক রাতে সব হারিয়েছিলাম: আবরারের মাকে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) পিটুনিতে নিহত আবরার ফাহাদের মাকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনাকে সান্ত্বনা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। শুধু বলব, আমাকে দেখেন। স্বজন হারানোর বেদনা আমি বুঝি। আমিও এক রাতে সব হারিয়েছিলাম। আমি তখন বিচারও পাইনি।’

এ সময় আবরার ফাহাদ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার গণভবনে আবরার ফাহাদের বাবা-মা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দোষী যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করা হবে।’

বিকেল পাঁচটায় আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ, মা রোকেয়া বেগম এবং ছোট ভাই আবরার ফায়াজ গণভবনে যান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে।

এ সময় তাদের সান্ত্বনা দেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, ‘অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। আমি ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। আমি দেখতে চাইনি কে কার লোক। অপরাধী কে বা কোন দল করে সেটা বিবেচনা করিনি।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরেন আবরার ফাহাদের মা রোকেয়া বেগম।

নিহত আবরারের মা রোকেয়া খাতুন প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘আপনি মায়ের আসনে থেকে ঘটনার পর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে যে কঠোর ভূমিকা নিয়েছেন সে জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার নেই।’

আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করায় আবরারের মা রোকেয়া খাতুন ও বাবা বরকত উল্লাহ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান।

বুয়েটের তড়িৎকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

আবরার হত্যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগও বুয়েট শাখার ১১ নেতাকে বহিষ্কার করে।