খাদ্যের অভাব মিটলেও পুষ্টিহীনতা কমেনি|174318|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০
বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ
খাদ্যের অভাব মিটলেও পুষ্টিহীনতা কমেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

খাদ্যের অভাব মিটলেও পুষ্টিহীনতা কমেনি

জাতীয় উৎপাদন আর চাহিদা বিবেচনায় খাদ্যের অভাব বাংলাদেশিদের এখন নেই বললেই চলে। তবে দরিদ্র পরিবারগুলোতে খাদ্য সংকটের পাশাপাশি রয়েছে পুষ্টির সংকটও। সুস্থ জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্যের অভাবে ভুগছে বিপুল জনগোষ্ঠী। এ পরিস্থিতিতে পুষ্টিকর খাদ্যের মাধ্যমে ক্ষুধামুক্ত মেধাবী জাতি গঠনের ওপর জোর দিয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে আজ পালিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব খাদ্য দিবস।

গড় আয়ু বৃদ্ধি, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার কমানোসহ আর্থ-সামাজিক বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ যতটা এগিয়েছে, ততটা এগোতে পারেনি জাতির পুষ্টিমান উন্নয়নে। বিভিন্ন সময়কার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশের মানুষের আর্থিক দৈন্য কমতে থাকায় তারা আগের চেয়ে ভাত কম খাচ্ছেন। সে কারণে তাদের ক্যালোরি গ্রহণের হার কমে গেছে। অন্যদিকে মাথাপিছু প্রোটিন গ্রহণের হার এখনো রয়ে গেছে দুই যুগ আগের পর্যায়ে। ১৯৯৫-৯৬ সময়ে বাংলাদেশিদের মাথাপিছু প্রোটিন গ্রহণের হার ছিল প্রায় ৬৫ গ্রাম, ২০১৬ সালে তা নামে ৬৪ গ্রামের নিচে। 

প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (এফএও) বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন করে। এ বছর খাদ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ, পুষ্টিকর খাদ্যই হবে আকাক্সিক্ষত ক্ষুধামুক্ত পৃথিবী।’ দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় র‌্যালি, সেমিনার, মেলা আয়োজনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। এসব কর্মসূচিতে পুষ্টিমান উন্নয়নে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরার পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করা হবে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা আয় ব্যয় জরিপের তথ্য অনুযায়ী মাথাপিছু প্রতিদিন খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ৯৭৫ গ্রাম। এর মধ্যে ৩৬৭ গ্রাম চাল, ২০ গ্রাম গম। বাকিটা অন্যান্য খাদ্য। জরিপে দেখা গেছে, মানুষের ডাল, সবজি, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, মুরগির মাংস ও ডিম, গরুর মাংস ও মাছ খাওয়া বেড়েছে। অন্যদিকে চাল, গম, আলু, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, খাসির মাংস, ফল, চিনি ও গুড় খাওয়ার পরিমাণ কমেছে।