জরিপভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদনে আস্থা নেই: তথ্যমন্ত্রী |176060|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:১৩
জরিপভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদনে আস্থা নেই: তথ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

জরিপভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদনে আস্থা নেই: তথ্যমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন বিষয়ে জরিপভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদনের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, দেশে অনেক সংস্থা আছে যারা শুধু খারাপ দিকগুলো তুলে ধরে বিভিন্ন জরিপভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে নিম্নগতি দেখানোর চেষ্টা করে। তাই, এসব প্রতিবেদনের সঙ্গে আমি একমত নই। তবে, সত্য বিষয়গুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে আমার কোনো দ্বিমত নেই।

বুধবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) ও অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্সের (আত্মা) যৌথ উদ্যোগে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  

হাছান মাহমুদ বলেন, বিদেশে গেলে দেখা যায়, প্রতিটি রাস্তায়, মোড়ে কিংবা রেস্টুরেন্টে প্রচুর মানুষ ধূমপান করে, সেখানে অধূমপায়ীদের অবস্থান করা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সেগুলো আমাদের দেশে নেই। আমাদের দেশের রেস্টুরেন্টে বসে ধূমপানের জন্য অস্বস্তি সৃষ্টি হয় না। অর্থাৎ, আমাদের দেশে ধূমপায়ীদের জন্য কোনো করুণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় না। তাই, আমি মনে করি, এ ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করে আমাদেরকে ছোট করা অন্যায়। ২০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবে ধূমপানমুক্ত হবে। আগে, দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ ধূমপান করত, এখন তা ৩৫ শতাংশে নেমে এসেছে। 

তথ্যমন্ত্রী বলেনআমাদের অগ্রগতি হচ্ছে, তার সঙ্গে কিছু ক্ষতিকর দিকও সামনে চলে আসছে। তামাকজাত পণ্য ছাড়াও ই-সিগারেট আমাদের তরুণ সমাজকে ব্যাপক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। সিনেমায় ‘ধূমপান মৃত্যুর কারণ’ কথাটি লেখা না থাকলে সেন্সরবোর্ডে আটকে দেওয়া হয়। তবে, আমাদের গণমাধ্যমকে এ ব্যাপারে আরও এগিয়ে আসতে হবে। জনসম্মুখে ধূমপান করলে জরিমানা হয়, এমন খবর গণমাধ্যমে আসে না। কেননা, তাদের কাছে এটি চটকদার খবর নয়। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত করার যে ঘোষণা দিয়েছেন তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য মন্ত্রণালয় যা কিছু করা দরকার তা করবে। সেই সঙ্গে তিনি এই গবেষণার তথ্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সাথেও শেয়ার করার আহ্বান জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী, থাইল্যান্ডের থামাসাত ইউনিভার্সিটির হেড অব গ্লোবাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ড. মেরি আসুন্তা, সিটিএফকের বাংলাদেশ কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর, গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফজেইউ) সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল প্রমুখ।