গ্রামীণফোন কত দিতে পারবে জানাতে ফের সময় |177683|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩১ অক্টোবর, ২০১৯ ২০:২৩
গ্রামীণফোন কত দিতে পারবে জানাতে ফের সময়
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামীণফোন কত দিতে পারবে জানাতে ফের সময়

গ্রামীণফোনের কাছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) দাবির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠান কত দিতে পারবে তা জানতে চেয়ে ফের সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

দুই সপ্তাহের মধ্যে তা গ্রামীণফোনকে জানাতে হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ এ বিষয়ে ১৪ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য ধার্য রাখেন।

সর্বোচ্চ আদালতে গ্রামীণফোনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দিন ও শেখ ফজলে নূর তাপস।

বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রেজা-ই-রাকিব।

এর আগে গত ২৪ অক্টোবর আপিল বিভাগ একই বিষয়ে পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে জানাতে গ্রামীণফোনকে নির্দেশ দিয়ে বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য দিন ধার্য রেখেছিল। তবে সেটি জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় আবারো সময় দেয় সর্বোচ্চ আদালত।  

এর আগে ১৭ অক্টোবর এক আদেশে গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির ওই পাওনা আদায়ের ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করে হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে বিটিআরসি ২০ অক্টোবর আপিল বিভাগে আবেদন করে।

বিটিআরসির দাবি, যন্ত্রপাতি আমদানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে গ্রামীণফোনের কাছে নিরীক্ষা আপত্তি দাবির ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং রবির কাছে ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে তাদের। বেশ কয়েক দফা চেষ্টার পর সেই টাকা আদায়ে ব্যর্থ হলে ওই দুটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিয়ে নোটিশ পাঠানো হয়। ১৯৯৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যন্ত্রপাতি আমদানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে গ্রামীণফোনের কাছে বিটিআরসির পাওনা ও এর সুদসহ এ টাকা দাবি করে ২ এপ্রিল চিঠি পাঠায় বিটিআরসি।

এ বিষয়ে সুরাহা না হওয়ায় বিটিআরসির পাওনার বিষয়ে গত আগস্টের শেষ সপ্তাহে ঢাকার সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালতে স্বত্বের মামলার (টাইটেল স্যুট) আবেদন করে গ্রামীণফোন।

আবেদনটি গৃহীত হয়ে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ওই আবেদনের অধীনে বিটিআরসির পাওনা আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন জানানো হলে গত ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালতে সেটি খারিজ হয়ে যায়। পরে ওই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন।