বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতুর নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হবে|178764|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৫ নভেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩০
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতুর নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হবে
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতুর নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হবে

বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ (বরিশাল-ভোলা) সেতুর কাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনের সম্মেলন কক্ষে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হবে। বরিশাল-ভোলা সেতু হবে পদ্মা সেতুর চেয়েও দীর্ঘ। এই সেতুর দৈর্ঘ্য হবে আট কিলোমিটার। এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু।

তিনি বলেন, এখন ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। অর্থায়নের ব্যাপারে কথাবার্তা হচ্ছে। চীন এই সেতুতে অর্থায়ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সরকারের উন্নয়নমূলক বড় প্রকল্পে দুর্নীতি হচ্ছে বিএনপির এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়ন অগ্রগতিতে সারা বিশ্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিস্ময়। একটা দৃশ্যমান কাজ বিএনপি দেখাতে পারবে না। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কল্পনায়ও ছিল না। যারা বাইরে থেকে চার-পাঁচ বছর পর এসেছেন, তারা অবাক হয়ে যান ঢাকার পরিবর্তন দেখে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা দেশের দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন করতে পারেনি- এটা তাদের ব্যর্থতা। এখন শেখ হাসিনা সরকার যখন দেশের উন্নয়ন করছে, তখন এটা তাদের গায়ে জ্বালা ধরাচ্ছে।

পদ্মাসেতু থেকে সরে যাওয়ার পর নতুন প্রকল্পে টাকা দেওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংক আগ্রহ প্রকাশ করছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংক ঢাকা শহরে নতুন বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) প্রকল্প করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু এ মুহূর্তে যেহেতু মেট্রোরেল ও বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে, তাই নতুন করে আরেকটি বিআরটি প্রকল্প নিয়ে ঢাকা শহরকে অচল করতে চাই না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পদ্মাসেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৭৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। অনেক চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে পদ্মাসেতু আজ দৃশ্যমান। ২০২১ সালের জুনের মধ্যে পদ্মাসেতু খুলে দেওয়া হবে। এছাড়াও কর্ণফুলী টানেলের কাজ ৪৯ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।