সব শিল্পীরই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আকাঙ্ক্ষা থাকে|179428|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০
সব শিল্পীরই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আকাঙ্ক্ষা থাকে
সুদীপ্ত সাইদ খান

সব শিল্পীরই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আকাঙ্ক্ষা থাকে

৭ নভেম্বর একসঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে দুই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০১৭ সালের ‘হালদা’ চলচ্চিত্রের জন্য সেরা অভিনেত্রী হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। দেশ রূপান্তরের কাছে পুরস্কারপ্রাপ্তির অনুভূতি জানালেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সুদীপ্ত সাইদ খান

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন...

শুভেচ্ছা জানানোয় দেশ রূপান্তর পরিবারকেও ধন্যবাদ। 

পুরস্কারপ্রাপ্তিতে কেমন লাগছে?

খুবই ভালো লাগছে। বলে বোঝাতে পারব না। যেকোনো কাজের জন্য স্বীকৃতি পেলে সত্যিই ভালো লাগে। আরও ভালো লাগে যদি সেই স্বীকৃতিটা হয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এটা এমন একটা পুরস্কার যে, প্রত্যেকটা শিল্পীরই আকাক্সক্ষা থাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার জন্য। দেশ-বিদেশের বা পৃথিবীর যেখানেই পুরস্কার পাই না কেন, দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতির সঙ্গে আর কোনো পুরস্কারের আনন্দ মেলানো যাবে না। এই অনুভূতি, এই আনন্দ সবকিছুর ঊর্ধ্বে। সত্যিই ভালো লাগছে।

আনন্দের খবরটা কাদের সঙ্গে প্রথম উদযাপন করলেন?

অবশ্যই আমার পরিবারের সঙ্গে। যেকোনো ব্যক্তিগত পাওয়ার পেছনে পরিবারের অনেক অবদান থাকে। ফলে এই আনন্দের খবরটা পরিবারের সঙ্গেই প্রথম উদযাপন করেছি।

‘হালদা’য় কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

কাজের অভিজ্ঞতা অবশ্যই অনেক ভালো। হালদার গল্পটা খুব সুন্দর। তৌকীর আহমেদ ভাই অনেক ভালো এবং বড় আর্টিস্ট। সেই সঙ্গে মোশাররফ ভাই ছিলেন, দিলারা আন্টি, ফজলুর রহমান বাবু ও জাহিদ ভাই ছিলেন। তৌকীর ভাই যত্ন নিয়ে খুব ভালো একটি কাজ করেছেন। অনেক বড় ক্যানভাসে এবং কাস্টিং নিয়ে কাজটা হয়েছে। এই সিনেমায় আমি হাসু চরিত্রে কাজ করেছি। এতে হালদা নদীর প্রতিচ্ছবি হিসেবে মেয়েটিকে ব্যবহার করা হয়েছে।

সিনেমার শ্যুটিংয়ের সময় কি কখনো ভেবেছিলেন হালদার জন্য পুরস্কার পাবেন?

না। কারণ, যখন অভিনয় করেছি তখন তো আর এতকিছু মাথায় নিয়ে কাজ করা হয় না। যখন ভালো কোনো গল্প পাই, স্ক্রিপ্ট পাই, তখন উৎসাহ নিয়েই কাজটা করি। ভালো পরিচালক, ভালো কো-আর্টিস্ট, ভালো প্রোডাকশনে কাজ করছি এটাই তখন বিশাল ব্যাপার ছিল আমার কাছে। শ্যুটিং চলাকালীন আমার সবসময় চেষ্টা ছিল আমি যে কাজটা করছি সেটা যেন দর্শকের ভালো লাগে। দর্শক যেন কাজটা গ্রহণ করে। মূলত দর্শকের জন্যই আমার সমস্ত কষ্ট, সমস্ত পরিশ্রম। আর কাজ শুরুর সময়ই জানতাম ভালো কিছু হবে। শেষ পর্যন্ত জাতীয় পুরস্কার পাওয়ায় কষ্টটা সার্থক হলো।